মাস্টারি বিডি ডটকম ।
বান্দরবান । ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ । ০৬ পৌষ ১৪২৪
রাঙ্গামাটির দুর্গম ও সুউচ্চ পবর্তমালা সাজেক থেকে বান্দরবান ২২০ কি.মি. পাহাড়ি পথ পেরিয়ে রাতে বিরতির পর সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত টানা আরও ৮০ কিলোমিটার দুর্গম পাহাড়ি সড়ক অতিক্রম করার পর থানচি উপজেলা সদরে পৌঁছেন ৪৩ জন মাউন্টেইন বাইক প্রতিযোগী।
তাদের মধ্য্যে। জাতীয় দলের মিজানুল আজম প্রথমস্থান অধিকার করেন। তিনি থানচিতে পৌঁছান ৪ ঘন্টা ৩৫ মিনিটে। দ্বিতীয়স্থান অধিকার করেছেন বান্দরবানের সন্তান কাউসার আহমেদ । তিনি দুপুর ১২ টা ৪০ মিনিটেই বাইক চালিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে যান থানচি উপজেলা সদরে। এতে তার সময় লেগেছে ৪ ঘন্টা ৩৫ মিনিট। তৃতীয়স্থান অধিকাররী ঢাকার আল-আমিন । তিনি গন্তব্যে পৌঁছেন ৪ ঘন্টা ৪৫ মিনিটের মাথায়।

বান্দরবান সদরের পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে যাত্রা শুরু করেন বিজয় দিবসের মাউন্টেইন বাইক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ৫ জন মেয়েসহ ৪৩ জন প্রতিযোগী।
পাহাড়ের পর্যটনকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সাইকেল চালানোর মাধ্যমে সুস্থ দেহ মন গড়ে তোলা এবং সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে বলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মাউন্টেইন অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব সূত্র জানা গেছে।

সোমবার সকাল ৮ টায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চত্বরে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহিন রেজা ও সুবিনয় ভট্টাচার্য, পুলিশ সুপার সজ্ঞিত কুমার রায়, জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদুল আলম, অতিরিক্ত পুুিলশ সুপার মো. কামরুজ্জামান। জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তরাও উপস্থিত ছিলেন।
বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের সড়কগুলো মাউন্টেইন বাইকের জন্য খুবই উপযোগী। গত বছরের মত এবারও এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এবার সাজেক থেকে থানছি পর্যন্ত প্রায় ৩শ’ কিলোমিটার সড়কে প্রতিযোগিরা সাইকেল চালানোর সুযোগ পেয়েছেন। বাসস
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম