মাস্টারি বিডি ডটকম । ওমর আলী
ঢাকা । ২৬ অক্টোবর ২০১৭ । ১১ কার্তিক ১৪২৪
তরুণ গীতিকার এ. কে. আজাদ চৌধুরী পরাগ। জন্ম ফরিদপুরের লস্করকান্দি গ্রামে। বাবা ডা. মোকছেদুর রহমান, মা বেগম জহুরা মোকছেদ। বাবা একজন সুচিকিৎসক। চার ভাইবোনের মধ্যে পরাগ বড়। লেখাপড়া শুরু নিজ গ্রামে, লস্করকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ফরিদপুর রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ডিগ্রি সম্পন্ন করে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান। পরে দুবাই যান। সেখানে দুবছরের ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স করে একটি স্বনামধন্য কোম্পানিতে চাকরি গ্রহণ। এরইমধ্যে মনের ভেতর জন্মে সৃজনশীল নানা ভাবনা। আর মনের কথাগুলো সযতনে লিখে রাখতে থাকেন তিনি। লিখতে লিখতে একসময় সেগুলো প্রকাশের ইচ্ছে জাগে। সেই থেকে প্রকাশ।
কিভাবে গান লেখায় আগ্রহী হলেন? এ প্রশ্নের উত্তরে পরাগ বলেন, কৈশোর থেকেই গানের প্রতি ঝোক ছিলো। পরে কলেজে পড়া অবস্থায় গান লেখা শুরু করি।
গান লেখার ব্যাপারে পরাগ বলেন, আমি সব ধরনের গান লিখতে সক্ষম। তবে ফোক ও আধুনিক গান লিখতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করি।
পরাগ বলেন, বহু শিল্পী আমার লেখা গান গেয়েছেন। এরমধ্যে আলীমুজ্জামান সবুজ, সমীরণ রয়, আলী আহমেদ বিন আবেদীন, জাহানারা জনি, এস. এ. উজ্জল, মাহাবুব খান, জুয়েল খান, রুবেল, রাজন খান, বিপ্লব, আজমান শিল্পী, সোনিয়া, তপন দাস, বিল্লালসহ অনেকেই।
আপনার লেখা গানগুলোর মধ্যে আপনার বিশেষ পছন্দের গান আছে কি…? জবাবে পরাগ বলেন, একজন গীতিকারের কাছে তার লেখা সব গানই পছন্দের। তবে, আমার সুখেরও কারণ তুমি…, তোমার বিচার তোমার কাছে…, গুরু না ভজিলে…, দরদিয়া তুমি আছো গো…, যে আমায় পাগল বানালো…, চল চল চল ঈদগাহে… এই গানগুলো আমার কাছে খুবই প্রিয়। আর এ গানগুলো বেশ হিটও হয়েছে।
আজাদ চৌধুরী পরাগ তার লেখালেখি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, গানের পাশাপাশি আমি একটি উপন্যাস লিখেছি এবং অনেক কবিতাও লেখেছি। আশা করছি শিগগিরি এগুলো প্রকাশিত হবে।
গীতিকার আজাদ চৌধুরী পরাগ তার সৃজনশীলতায় নিবেদিত থাকুন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। তার সৃষ্টিসম্ভারে ভরে উঠুক গানপ্রিয় ও সাহিত্যপিপাসু মানুষের হৃদয়।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম