মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ১০ এপ্রিল ২০১৭ । ২৭ চৈত্র ১৪২৩
শিল্পকলা একাডেমিতে হয়ে গেল ওড়িশী নৃত্যোৎসব। শনিবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে চট্টগ্রামের ওড়িশী অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টারের ষোড়শ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী এ নৃত্যোৎসবের আয়োজন করা হয়। উৎসবের উদ্বোধনী দিনে বরেণ্য ছয় নৃত্যশিল্পীকে জানানো হয় সম্মাননা।
সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন- আমানুল হক, মীনু হক, সাজু আহমেদ, শর্মিলা বন্দোপাধ্যায়, মুনমুন আহমেদ ও তামান্না রহমান।

ত্রিভঙ্গি আশ্রিত উড়িশী নৃত্যে রয়েছে নানা পর্ব- মঙ্গলাচরণ, শিবন্দনা, বটু আর সবশেষে মোক্ষ। অনুষ্ঠানে এ নৃত্যের পরিবেশনা করে চট্টগ্রামের ওড়িশী অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টারের নৃত্যশিল্পীরা।
উদ্বোধন পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সাংবাদিক কামাল লোহানী, কলকাতার গুঞ্জনের পরিচালক গুরু পৌষালী মুখার্জী ও ইন্ধিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের পরিচালক জয়শ্রী কুণ্ডু।

উদ্বোধন দিনের আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের ওড়িশী অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টারের সভাপতি অধ্যাপক অনুপম সেন।
আলোচনা ও সম্মাননা শেষে প্রমা অবন্তীর গ্রন্থনা, ভাবনা ও নৃত্য নির্মিতিতে ছিল ওড়িশী নৃত্য পরিবেশনা, যার শুরুতেই ওড়িশী নৃত্যকলার রীতি অনুযায়ী ছিল মঙ্গলাচরণ। জগতের মঙ্গল কামনা করে শুরু হয়ে এরপর মহাদেব শিবের বন্দনায় পরিবেশিত হয় ‘শিব বন্দনা’।

এরপর ছিল বটু, তার পরেই ‘আজি দক্ষিণ পবনে’ শিরোনামে রবীন্দ্রনৃত্য। এরপর রাগ আরবী, তাল একোতালি ও চার মাত্রার পল্লবী। রাগ যুগ্মদ- এবং রাগ সাবেরী ও একোতালি তালে আরেকটি পল্লবী পরিবেশিত হয়।
এরপর আবারও রবীন্দ্রনৃত্য; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূজা পর্যায়ের ভাঙা গান ‘মন্দিরে মম’র সঙ্গে নৃত্যশিল্পীরা এক তাল ও বারো মাত্রায় নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর ‘কহিগলে মুরালি ফুঁক্ষা’ শিরোনামে ছিল অভিনয় নৃত্য। সবশেষে মোক্ষ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রথম দিনের আয়োজন।
রোববার উৎসবের শেষ দিন সন্ধ্যায় ছিল নজরুলের জীবনভিত্তিক গীতিআলেখ্য ‘বাঁশরী ও তূর্য হাতে কবি’। এর গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় ছিলেন প্রমা অবন্তী। -সংগৃহীত
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম