মাস্টারি বিডি ডটকম
ঝিনাইদহ । ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬ । ০৫ পৌষ ১৪২৩
ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার হরিশপুর গ্রামে ৩ দিনব্যাপী লালন স্মরণ উৎসব আজ সোমবার শেষ হয়েছে। লালনের জন্মভিটা হরিশপুর লালন একাডেমী মাঠে গত শনিবার এ স্মরণ উৎসব শুরু হয়।
৩ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে দেশী বিদেশী লালন গবেষক ও বুদ্ধিজীবীরা দরবেশ সিরাজ সাঁই ও লালনের উপর আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচকরা দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবী করেন, বাউল সম্রাট লালন শাহ হরিশপুর গ্রামেই জন্মেছিলেন। পরে তিনি তার পীর বা গুরুর নির্দেশে কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় আখড়া স্থাপন করেন।
বক্তারা বলেন, লালনের জন্ম ও ধর্ম নিয়ে যে সব কথা প্রচার করা হয় তা সঠিক নয়। কারণ তার বংশধররা এখনো হরিশপুরেই বসবাস করছেন। লালনের বাড়ি যে হরিশপুরেই তা প্রমাণ করে তার দীক্ষাগুরু দরবেশ সিরাজ সাঁইয়ের গান ও নানা কর্মকান্ডে। সিরাজ সাইঁ ও লালন সুফিবাদ মতবাদের প্রচারক ছিলেন বলেও কোন কোন আলোচক দাবী করেন।
আলোচকদের মধ্যে ঝিনাইদহ ক্যাডট কলেজের অধ্যক্ষ কর্নেল সাদীকুল বারী, ঢাবির অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, রাবির অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন, লালন গবেষক খোন্দকার কেরামত আলী, চলচ্চিত্র প্রযোজক আবু তাহের, অধ্যাপক আজিজুল ইসলাম, ড. মোঃ শহীদুর রহমান, রাবি অধ্যাপক ড. আবুল হাসান চৌধুরী, ড. আনোয়ারুল করীম, জেলা কালচারাল অফিসার জসিম উদ্দীন, প্রফেসর এম এ মজিদ, অধ্যাপক মিজানুর রহমান, ড. মিজানুর রহমান ও ড. সিদ্ধার্থ শংকর জোয়ারদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
শেষ দিনের অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ সরকারী কেসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. বিএম রেজাউল করিম।
৩ দিনের এই অনুষ্ঠানে দেশ বিদেশের অগণিত লালন ভক্ত ও সাধুরা অংশগ্রহণ করেন।
স্মরণিকার প্রকাশ ছাড়াও এ উৎসবে লালনগীতি পরিবেশন করেন লালনভক্ত শিল্পীরা। উৎসবকে ঘিরে বসে মেলা। বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার দর্শক শ্রোতা এ উৎসব উপভোগ করেন।
সূত্র : বাসস
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম