
মাস্টারি বিডি । শান্তা ইসলাম
ফিচার । ২১ ডিসেম্বর ২০১৮ । ০৭ পৌষ ১৪২৫
একটি ফুলের নানা প্রজাতি থাকতে পারে। আবার কোনো কোনো ফুলকে একাধিক নামে ডাকা হয়ে থাকে। যেমন- শিউলী ফুলকে শেফালী নামেও ডাকা হয়।

গাঁদা বা গন্ধা ফুলের নামটি, গন্ধা>গেন্ধা>গেনদা>গাঁদা -এইভাবে হয়েছে। এটি একটি সুগন্ধি ফুল- যা সর্বত্র সহজে হয়ে থাকে। এটি গৃহসজ্জায় ব্যবহৃত হয়।

গাঁদা Compositae পরিবারের একটি সদস্য, বৈজ্ঞানিক নাম Tagetes erecta। গাঁদা ফুল বিভিন্ন জাত ও রঙের দেখা যায়। এই ফুল সাধারণত উজ্জ্বল হলুদ ও কমলা হলুদ এবং লালচেও হয়ে থাকে। বাংলাদেশে গৃহস্থ বাগানের সাধারণ ফুল গাঁদা।

গাঁদা গুল্মজাতীয় বর্ষজীবি উদ্ভিদ। এর প্রায় ৫৬টি প্রজাতি আছে। বাংলাদেশে সচরাচর এর ৪-৫টি প্রজাতি পাওয়া যায়। যেমন- রাজগাঁদা, কালীগাঁদা, ছোট গাঁদা বা চায়না গাঁদা, তারা গাঁদা ও মিনুটা গাঁদা। এছাড়া ভারত ও বাংলাদেশে ইনকা গাঁদা, রক্ত গাঁদা, দেশি গাঁদা ও জাম্বো গাঁদা নামেও প্রজাতি রয়েছে।
চাকমাদের কাছে এটি ‘সওরং ফুল’ নামে পরিচিত। ত্রিপুরারা বলে ‘ক্ষেতারা’। ইংরেজি নাম মেরিগোল্ড (Marigold)।

এই গাছের আদি নিবাস উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা। বিশেষ করে মেক্সিকোতে এই গাছ অধিক জন্মে। এর কিছু প্রজাতি পৃথিবীর উষ্ণ অঞ্চলের সর্বত্রই জন্মে। তবে দেশের ফুল হিসেবেও এর একটি পরিচিতি গড়ে উঠেছে।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম গাঁদা ফুল নিয়ে দারুণ একটি গান রচনা করেছেন-
হলুদ গাঁদার ফুল,/ রাঙা পলাশ ফুল/ এনে দে এনে দে নৈলে/ রাঁধব না, বাঁধব না চুল।/
সে হিসেবে গাঁদা নামের ফুলটির সাহিত্যমূল্যও কিন্তু কম নয়।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম