মাস্টারি বিডি । শান্তা ইসলাম
ফিচার । ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ । ১৭ পৌষ ১৪২৫
পাখির নাম মৌটুসি। একরত্তি পাখি। কিন্তু এত সুন্দর তার গায়ের রং, দৈহিক আকৃতি, চঞ্চু, ওড়ার ঢং এমনকি কণ্ঠমাধুর্য। একেকটি পাখি একেক দিকে সুন্দর হয়ে থাকে। তবে সার্বিক বিচারে এ দেশের পাখিদের মধ্যে মৌটুসি বা নীল টুনিরাই শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম দাবিদার। কারণ, এদের সবকিছুই সুন্দর।

এই পাখিটিকে চুনিমুখি মৌটুসি বা সবুজাভ মৌটুসিও বলা হয়। পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়।
মৌটুসি পাতলা বন, বনের আশেপাশে চাষাবাদের জন্য পরিষ্কার জায়গা, বনপ্রান্ত, চিরসবুজ বন, ক্ষুদ্র ঝোপ ও প্যারাবনে বিচরণ করে। সচরাচর একা বা জোড়ায় জোড়ায় থাকে।

চমৎকার সুরে গান গায়। ভোরে সব পাখির আগে এরা মধুর কণ্ঠে ঘুমভাঙানি গান গেয়ে ওঠে। মাঝে মাঝে হৃদয়জাগানিয়া মিষ্টিমধুর স্বরে গেয়ে ওঠে: সুইটি-টি-চি-চিউ…টিউসি-টিটসুইটি-সুইটি…সুইটি-টি-চি-চিউ…।

হামিং বার্ডের মতো এরাও বাতাসে স্থির থেকে উড়তে পারে। বাতাসে ঢেউ খেলিয়ে আলোর ঝিলিকের মতো এগাছে-ওগাছে, এ ফুল থেকে ও ফুলে উড়ে উড়ে মধু পান করে। খুব চঞ্চল। ফুলের বোঁটার ওপর বসে বাদুড়ের মতো ঝুলে পড়ে মধু পান করে। মধুর অভাবে ছোট ছোট পোকামাকড়ও খেতে পারে।

শীত ও বসন্তেই প্রধানত বাসা বানায় এবং ডিম পাড়ে। সাধারণত গেরস্তবাড়ির আঙিনায় বরই বা ডালিমগাছের চিকন ঝুলে পড়া ডালে বা লাউ-শিমের লতানো গাছের ডগায় বাসা বাঁধে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম