
অনেক সময় আমরা ঠিক বুঝে উঠতে পারি না আমাদের ক্ষুধা পেয়েছে নাকি তৃষ্ণা? অনেক সময়ই তৃষ্ণাকে আমরা ক্ষুধার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলি। মাঝে মাঝে আমরা ক্ষুধার্ত বোধ করি, কিন্তু ওই সময়ে শরীরে হয়তো প্রয়োজন এক থেকে দুই গ্লাস পানি।…
মাস্টারি বিডি ডটকম । শান্তা ইসলাম
ঢাকা । ০৮ নভেম্বর ২০১৭ । ২৪ কার্তিক ১৪২৪
কেন এত ক্ষুধা পায়? কেন বার বার খেতে মন চায়…? -যা সহ্য করা দায়…।
আপনি কি প্রায় সবসময়ই এরকম ক্ষুধা অনুভব করে থাকেন? প্রাতরাশ, মধ্যাহ্ন বা নৈশভোজের একঘণ্টা পরেই কি ক্ষুধা অনুভূত হয়? এমনটা কারো কারো হতে পারে। তবে এর সঠিক কারণ জানেন না অনেকেই।

পুষ্টিবিদগণ বার বার ক্ষুধা লাগার ব্যাপারে যে কথা বলে থাকেন-
অন্তস্বত্ত্বা হলে ক্ষুধা বাড়ে। বাড়ে ক্যালরির চাহিদাও। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে এসময় স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। এসময় রিফাইন্ড ও চিনি সমৃদ্ধ খাবার কমিয়ে দিন।
রাতে অতিরিক্ত শর্করা জাতিয় ভারী খাবার খেলে কিছুক্ষণ পর আবার ক্ষুধা লাগতে পারে। যখন আমরা একসঙ্গে অনেক বেশি শর্করা সমৃদ্ধ খাবার খাই, তখন চিনির মতোই তা খুব দ্রুত শুষে নেয় শরীর। পরিশোধিত শর্করা বাদ দিয়ে পরিমিত অপরিশোধিত শর্করা, যেমন- মিষ্টি আলু, বাদামি চাল, মাছ বা মুরগী, ব্রোকোলি বা অন্যান্য সবজি খান।

কতটা ক্ষুধা আর আমরা কতটা খাই তার ওপর অনেকটা প্রভাব ফেলে আমাদের ঘুম। ঘুম কম হলে লেপটিন নামক হরমোন হ্রাস পায়। এ হরমোন ক্ষুধা দমন করে। অন্যদিকে কম ঘুম গ্রেলিন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়- যা ক্ষুধার উদ্দীপক। যার ফলে কম ঘুম ওজন বাড়িয়েও দিতে পারে। ভালো ঘুমের জন্য ম্যাগনেসিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। এটি পেশি রিল্যাক্স করে।

অনেক সময় আমরা ঠিক বুঝে উঠতে পারি না আমাদের ক্ষুধা পেয়েছে নাকি তৃষ্ণা? অনেক সময়ই তৃষ্ণাকে আমরা ক্ষুধার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলি। মাঝে মাঝে আমরা ক্ষুধার্ত বোধ করি, কিন্তু ওই সময়ে শরীরে হয়তো প্রয়োজন এক থেকে দুই গ্লাস পানি।

কাজেই ক্ষুধা ও তৃষ্ণাকে পৃথক করে বোঝার জন্য আমাদের উপলব্ধি ক্ষমতাকে আরো একটু ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম