মাস্টারি বিডি । শেখ নজরুল
ফিচার । ২১ ডিসেম্বর ২০১৮ । ০৭ পৌষ ১৪২৫
খুব বেশি দিনের কথা নয়, প্রায় পঁচিশ বছর আগে এসব গরুর হালে লাঙল-জোয়াল আর মই গ্রামগঞ্জের জমিতে হরহামেশাই দেখা যেত। চাষিদের অনেকে নিজের জমিতে হালচাষ করার পাশাপাশি অন্যের জমি চাষিয়ে পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু অর্থও উপার্জন করতেন। তারা হাজারো কর্মব্যস্ততার মধ্যেও কখনো কখনো ফুরফুরে আনন্দের মনের সুখে কুষ্টিয়ায় গান গেয়ে গেয়ে জমি চাষ দিতেন।

ভোররাত থেকে শুরু করে প্রায় দুপুর পযন্ত জমিতে হালচাষ করতেন তারা। চাষিরা জমিতে হাল নিয়ে আসার আগে চিড়া-গুড় অথবা মুড়ি-মুড়কি দিয়ে হালকা জল খাবার খেয়ে নিতেন। পরে একটানা হট হট, ডাইনে যা, বাঁয়ে যা, বস বস আর উঠ উঠ করে যখন ক্লান্তি আসত, তখন সূর্য প্রায় মাথার উপর খাড়া হয়ে উঠতো। এ সময় চাষিরা সকালের নাশতার জন্য হালচাষে বিরতি রেখে জমির আইলের ওপর বসতেন। তাদের নাশতার ধরনটাও ছিল ঐতিহ্যবাহী। এক থাল পান্তা ভাতের সঙ্গে কাঁচা অথবা শুকনো মরিচ, সর্ষের খাঁটি তেল আর আলু ভর্তা।

তবে এইসব মধুর দৃশ্যপট এবং গল্প এখন একে একে স্মৃতিতে ঠাঁই নিচ্ছে। প্রযুক্তির এ বিপ্লবের যুগে তা ফিরিয়ে আনার শক্তি কার?
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম