মাস্টারি বিডি | জাকারিয়া তুষার
প্রতিবেদন | ২০ মে ২০১৯ | ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
সোনাভরি নদী রাজিবপুর উপজেলার মেম্বারপাড়া এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপত্তি হয়ে ৩০ কিলোমিটার প্রবাহিত হওয়ার পর রৌমারী উপজেলার হামিদপুর এলাকায় হলহলিয়া নদীর সাথে মিশে গেছে। নদীটির বিভিন্ন স্থানে ভরাট হওয়ার কারণে শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকে না। সূত্র, স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর।
তবে বর্ষাকালে পানির স্রোতধারা প্রবাহিত হয়। এ অবস্থায় ভরাট হওয়া এলাকাগুলো প্রভাবশালীরা দখল করে শুষ্ক মৌসুমে চাষাবাদ করে। এমনকি অনেকে মাটি ভরাট করে চারদিকে সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে বাড়িঘর পর্যন্ত নির্মাণ করে বসবাস করছেন।
এই পরিস্থিতিতে শুষ্ক মৌসুমে নাব্যতা ও সেচ সুবিধাসহ পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে ডেল্টা প্লান-২১০০ এর আওতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের ৬৪ জেলার অভ্যন্তরীণ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পের মাধ্যমে সোনাভরি নদী পুনঃখনন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
দুঃখজনক হলেও সত্যি, কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার সোনাভরি নদীটি একসময় ছিলো বহতা। আর আজ মানচিত্রে থাকলেও বেদখলের মহোৎসবে বাস্তবে নদীটিকে খুঁজেই পাওয়া যায় না।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম