Home / সাহিত্য / কবিতা / সামনে বিজয়ের দিন, আমিও বানাই পতাকা : শেখ নজরুল-এর একগুচ্ছ স্বাধীনতার কবিতা
war-victory-month-copy

সামনে বিজয়ের দিন, আমিও বানাই পতাকা : শেখ নজরুল-এর একগুচ্ছ স্বাধীনতার কবিতা

16-th-decemberপতাকা
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

আমি পতাকার রঙ মাখি
আমি পতাকার ছবি আঁকি
পতাকা আমার মায়ের আঁচল
পিতার জায়নামাজ
আমি সকালের সোনারোদে
শিশির কুড়ানো ভালোবাসা মেখে-
বিস্ময়ে দেখিÑপতাকার দোল।

পতাকা আমার কবিতায় লেখা
পতাকা আমার বাহান্ন শেখা
রক্ত পতাকা, সবুজ পতাকা
পতাকা আমার বিধবা বোনের-
বেঁচে থাকবার রিনিঝিনি শাঁখা।

আমি পতাকায় শিখি সংগ্রাম
আমি পতাকায় ওড়াই চেতনা
পতাকা আমার সাহসী জননী
আদুরে বোনের দু’চোখে স্বপ্ন
আমি পতাকায় মিশে থাকি
আমি পতাকায় ঠোঁট রাখি
পতাকা আমার চুম্বনে রাঙা-
শুদ্ধ প্রেমের শেষ ভালোলাগা।

পতাকা আমার নবান্ন মুখ
শস্যগন্ধ নতুন আঘ্রাণ
আমার পতাকা আদিবাসী মেয়ে-
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান নারী
আমার পতাকা আযানের ধ্বনি-
মন্দির-মসজিদ-গির্জার আবাহনী।

আমার বিজয়, আমার পতাকা
পতাকার মুখ চেয়ে নির্ভয়ে থাকা
আমার পতাকা পৃথিবী সমান-
সবুজ শরীরে টকটকে-
লাল রক্তপ্রবাহ মাখা।

পতাকা আমার সকালের রোদ
শ্রমিক বোনের কপালের ঘাম
পতাকা আমার গোধূলি রাঙানো
ক্ষুধা উৎরানো রাত্রির দাম

আমার পতাকা একুশের গান
বিজয়ে ব্যাকুল, এ ডিসেম্বর
আমার পতাকা সাতই মার্চ
অবিস্মরণীয় সেই সে কণ্ঠস্বর!
======================

december_9779স্রোতস্বিনী নদী দোহনের যুদ্ধ
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

মানুষে পোষায় না এখন
সারাক্ষণ একটি দেশ হতে ইচ্ছে করে
সাদা একটি দেশ, টকটকে লাল একটি দেশ!
মানুষে পোষায় না এখন
সারাক্ষণ একটি দেশ হতে ইচ্ছে করে-
যাঁর স্বাধীনতা  নিশ্চিত, প্রাপ্তি অমূল্য।

চৌচির মাঠঘাট, ধূসর শস্যক্ষেত
বিধ্বস্ত আঙিনা, ভাঙাচোরা সবুজ
তবু বুকে তার,
নতুন সূর্যোদয়ের অবিরাম অপেক্ষা!
প্রতিদিন ঘনরাত্রির প্রসন্ন সম্ভাবনা।

মানুষে পোষায় না এখন
তার প্রেম লাগে না ভালো
তার শরীর লাগে না ভালো
তার চোখ টানে না কাছে
তার ঠোঁট নিশ্চিত বিস্বাদ!

সারাক্ষণ একটি দেশ হতে চাই
যুদ্ধ যদি হয়, তাঁর জন্য, হোক
যুদ্ধই ভালো।

ঘর গড়ার যুদ্ধ, শস্য বোনার যুদ্ধ
স্রোতস্বিনী নদী দোহনের যুদ্ধ
গোলাপ ফোটানোর যুদ্ধ
বৃক্ষ জাগরণের যুদ্ধ
সবুজ সম্ভাবনার যুদ্ধ।

যুদ্ধ যদি হয়, তার জন্য, হোক
অস্ত্র আসুক পানকৌড়ির জাহাজে
বন্দরে-বন্দরে শীতার্ত হোক-যুদ্ধ জাহাজ
মানুষ নয়, পুষ্ট হোক স্বপ্ন
আমি নই, সুন্দর হবো আমরা।

মানুষে পোষায় না এখন
সারক্ষণ একটি দেশ হতে চাই
প্রার্থনা করো, রাত পোহানোর আগে
যেন একটি পতাকা হতে পারি
নিজস্ব একটি সকালে, তোমার একটি দুপুরে
তাঁর মতো একান্ত একটি রাতে
তোমার বুকে সব অস্ত্র সমর্পণ করে
লাল টকটকে একটি গোলাপ হতে ইচ্ছে করে
নরম প্রসন্ন একটি সকাল হতে ইচ্ছে করে
গভীর রাতের নীল নীরবতা হতে ইচ্ছে করে।

আজ আমি দেশ হবো
কাল আমি দেশ হবো
বছরে-বছরে, যুগে-যুগে
আমি বাংলাদেশ হবো
আমি তাঁর সবুজ হবো, পাখি হবো
নদী হবো, নারী হবো, জনক-জননী হবো
দোয়েল, শাপলা হবো, বৃক্ষ হবো
আমি তাঁর বাহান্ন হবো, একাত্তর হবো

সারক্ষণ বাংলাদেশ হতে ইচ্ছে করে
মানুষে সত্যিই পোষায় না এখন!
=========================

1458914648_25-03-16-006সামনে বিজয়ের দিন, আমিও বানাই পতাকা
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

যখনই হাত রাখি তার বুকে
শুনি সে ভুগছে কঠিন অসুখে

যখনই তাকাই তার দু’চোখে
দেখি তার দৃষ্টি ঝরছে শোকে

যখনই তার চুল জড়াই আঙুলে
ভাবি সে হাতছানি গিয়েছে ভুলে।

যখনই তার ঠোঁটে রাখি ঠোঁট
জানি সে গড়েছে অহিংস জোট!

যখনই চুম্বন আঁকি কপালে তার
বুঝি এইখানে হবে জন্ম আবার!

তখন স্বদেশ খুঁজি, বিজয়ের মুখে চাই
মনে পড়ে প্রিয়মুখ, আমার স্বাধীনতা
বৃক্ষ ও গোলাপে আমিও বানাই পতাকা।
===========================

দুই শিশু
ঃঃঃঃঃঃ

আমি সেই জননীর কথা বলছি
যার দু’টি সন্তানের একটি যুদ্ধশিশু
আর অন্যটি বিজয়শিশু
ওদের বয়েসের ব্যবধান মাত্র নয়মাস।

যুদ্ধশিশুটি এখন চল্লিশোর্ধ্ব যুবক
বিজয়শিশুটির বিবেক বিজয়দীর্ঘ নয়
যুদ্ধশিশুটি রোদে পোড়ে,
বৃষ্টিতে ভেজে, শস্য ফলায়
বিজয় শিশুটি সেই ফসলের
দাম নির্ধারণ করে।

যুদ্ধশিশুটি মায়ের চোখের সীমানা বরাবর
সবুজ বিছানা আঁকে
বিজয় শিশুটি বৃক্ষের বুক থেকে স্বপ্ন ভাঙে
যুদ্ধ শিশুটি নদীমাতার জন্য গল্প সাজায়;
বিজয়শিশুটি সেই নদীর মালিকানা খোঁজে।

যুদ্ধশিশুটি পাখির জন্য
মুক্ত নীলাকাশ নিশ্চিত করে
বিজয় শিশুটি পাখির খাঁচা নির্মাণে
বৈঠকে বসে।
যুদ্ধ শিশুটির হৃদয়ে আঁকা
স্বদেশের মানচিত্র
বিজয় শিশুটি আজো
পতাকার সঠিক মাপ শেখেনি।
====================

pic-08_163548বৃক্ষের প্রতি অভিনন্দন
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

চোখের পাতাকে ধন্যবাদ
যে এখনও ভেজে একাত্তরে ফিরে
স্মৃতির প্রতি অপরিসীম কৃতজ্ঞতা
যে এখনও কাতর হয় বিজয়ের স্মৃতি ঘিরে

নদীর প্রতি অনেক ভালোবাসা
যে এখনও বহন করে লক্ষ প্রাণের রক্তধারা
পাখির জন্য অপার শুভেচ্ছা
যারা আজও বীরাঙ্গনার জন্য গান গায়

বৃক্ষের প্রতি অভিনন্দন
যারা শহীদের কবরের পাশে ছায়া হয়ে দাঁড়ায়।

আমার নিজের জন্য
তোমরা কোনো শুভেচ্ছা রেখো না
আমার কোনো ছায়া নেই
বরং আমি বৃষ্টির বিপরীত!
===================

টিয়ের জন্য নীলাকাশ, ময়নার জন্য খাঁচার বায়না
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

আমার উঠোন থেকে দু’কদম
এগিয়ে গেলেই ময়নার উনুন
একদিন সে ছিলো আমার খুব কাছে
উঠোন থেকে উনুন-বন্ধু পরস্পর

ছোট থেকেই ওর বেড়েওঠা দেখেছি
উদোম শরীরে ফ্রক চড়ায় মুগ্ধ হয়েছি
ওড়নার জন্য কামিজের দাবিও শুনেছি
ময়নার হাসি-কান্না-দু’টোর ভেতরেই
অনেক হেঁটেছি আমি

আমি যখন দুধকলায় সোমত্ত
ও তখন বেড়েছিলো পান্তা-লঙ্কায়
টই-টই করে যখন ঘুরে বেড়াতাম
বৃষ্টিতে ভিজতাম, ঝড়ে আম কুড়াতাম
সবকিছুতেই ময়নার ছিলো তুমুল-আনন্দ

ময়না পুতুল সাজাতো
ওর পুতুলের কাপড় ছিলো
মায়ের পুরাতন শাড়ির টুকরো
আর আমি বাজার থেকে কিনতাম
তরতাজা নতুন কাপড়ের ফালি।
ওর পুতুলগুলোকে আমি ডাকতাম
গরিব পুতুল
তবু হাসতো ময়না
স্কুল যাবার পথে বসে থাকতো ময়না
অপেক্ষা করতো আমার জন্য
আমার আর ময়নার পোশাকের মধ্যে ছিলো
বিস্তর ব্যবধান।
এঁটেল মাটি ছিলো-ময়নার সাবান
ও তাই মাথায় মাখতো-হাসিমুখে
তাতেই কি সুন্দর বাতাসে উড়তো
ওর চুলবাগান!
আমি পড়তাম হ্যাজাকের ঝকমকে আলোয়
ময়না পড়তো সলতে জ্বালিয়ে
আমার গৃহশিক্ষক ছিলো; ময়নার ছিলো না
থাকার কথাও নয়!
তবুও ময়না দু’বার প্রথম হয়েছে
আমাকে ডিঙিয়ে।

আমি মায়ের বকুনি খেয়েছি
ময়না কেঁদেছে
ময়না মাধ্যমিকের আগেই ঝরে গেছে!
অথচ আমি কারণ খুঁজিনি!

আমি পরীক্ষার পর পরীক্ষা দিতাম
আর ময়না গোবর ঘেঁটে নুড়ি বানাতো
পাতা কুড়িয়ে চুলো জ্বালাতো
শাকপাতা কুড়িয়ে মায়ের হাতে তুলে দিতো
আমি ভেতরে প্রতিনিয়ত ছোট হয়ে যেতাম

ময়নাদের যা হয় ওরও হলো তাই!
ফ্যাকাসে আলতা আর কিছু
বিবর্ণ কাচের চুড়িতে সেজে
ময়নাকে যেতে হয়-অন্যের ঘরে

ময়নাদের কপাল যেমন ভাঙে
ওরও হলো তাই!
সেই পুতুল খেলার
বহু পুরাতন একটি পুতুল হয়ে
আবার ফিরেও আসে মায়ের ঘরে

স্বামীর ঘরে ময়নাদের ঘর থাকে না
নিজের ঘরেও ময়নার জন্য
বিছানা রাখে না কেউ!

ময়না এখনও আছে
ময়নাকে এখনও দেখি
গ্রামে ফিরলে ময়নার সাথে দেখা হয়
পাখিহীন দুপুরের মতো
রোগা লিকলিকে এক ময়না
সবুজ পাখা হারানো এক ময়না
ঝড় আর বন্যায় বিধ্বস্ত এক ময়না!

পুতুল-দুপুরের মতো ময়না আজও
আমাকে চিনতে পারে ঠিকই
বহুদূর থেকে আমাকে
হাতছানি দেবার চেষ্টা করে!
আমি ময়নাকে
ময়নার মতো চিনতে পারি না
আমি টিয়ে কিংবা কাতাতুয়ার
ভাষা বুঝতে পেরে
ওদের মুক্ত করে দিয়েছি
কিন্তু ময়নাকে রেখেছি খাঁচার আদরে!

এই ময়না আর কেউ না
আমার স্বপ্ন
আমার ভালোলাগা
আমার ঘুম
আমার জাগরণ

এই ময়না আর কেউ না
আমার শৈশব
আমার কৈশোর
আমার যৌবন

এই ময়না আর কেউ না
আমার অতীত
আমার বর্তমান
আমার ভবিষৎ

এই ময়না আর কেউ না
আমার পতাকা
আমার ভূ-খণ্ড
আমার মানচিত্র

এই ময়না আর কেউ না
আমার যুদ্ধ
আমার বিজয়
আমার স্বাধীনতা!
================

1450194370_imagesস্বাধীনতা খুব সহজ এবং মিষ্টি
ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ

স্বাধীনতা খুব সহজ এবং মিষ্টি
চারটি বর্ণে যে যার মতো লেখে
সহজ উচ্চারণে যে যার মতো পড়ে
আমিও পড়লাম তোমাকে স্বাধীনতা
আমিও লিখলাম আজ চন্দ্রাবতী নিয়মে
রঙ দিলাম; কখনও সবুজ, কখনও লাল
কখনও পড়া যায়, কখনও যায় না!

স্বাধীনতা খুব প্রয়োজন
হৃৎপিণ্ডের রক্ত প্রবাহের মতো অনিবার্য
শ্রাবণের বৃষ্টির মতো কাঙ্ক্ষিত
রাতের ঘুমের মতো প্রার্থিত
কখনও ভোর, কখনও সকাল সরাসরি।

স্বাধীনতা খুব সহজ এবং মিষ্টি
যে যার মতো সরল ভাবে, কবিতা লেখে
যে যার মতো প্রেমে পড়ে, ভালোবাসে
আমিও লিখলাম তাঁকে কবিতায়
আমিও ভালোবেসে রাখলাম হৃদয়ে

স্বাধীনতা সারাদিন অষ্টাদশী-
প্রাণবন্ত হাসি, ফর্সা মুখ, মসৃণ কপাল
দেখলেই যে কেউ প্রেমে পড়ে
ওর বয়স বাড়ে না!
=======================

দু’বেলা দু’মুঠো
ঃঃঃঃঃঃঃঃ

রাষ্ট্র বুঝি না ঠিকঠাক
তার সঙ্গে আমার
বিরাট ফারাক!

বুকে বাখি না তাঁকে
কেবল দূরত্ব আঁকি
ভালোবাসি না তাঁকে
দৃষ্টির বাইরে রাখি

রাষ্ট্র পড়ি না ঠিকঠাক
চাই না সে আত্মায় জড়াক
উচ্চারণ করি তাঁকে

চোয়ালে ব্যথা পাই

অথচ তাঁর জন্য
সেই চোয়াল নাড়িয়ে
দু’বেলা দু’মুঠো খাই।

20140127_225443

পরিচিতিশেখ নজরুল। জন্মসাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে বাবাপ্রয়াত স্কুলশিক্ষক নূরুল ইসলাম মারাশিদা খানম।

প্রকাশিত গ্রন্থ ৫১টি। প্রথম প্রকাশিত কবিতার বইযতক্ষণ তুমি মাধবী
কাব্যগ্রন্থ :পাঁজরের মানচিত্রে অনেক নদী’, ‘কষ্টের অনুবাদ’, ‘মা জোনাক তারার কাব্য’, ‘অষ্টধাতুর মাদুলি’, ‘আমার খুনের তালিকায় জোছনাও আছে’, ‘মলাটবন্দি চেতনার কফিন’, ‘মেঘ সম্পাদনা’, ‘মীমাংসিত মৃত্যু অমীমাংসিত জীবনে’, ‘নারীনিধি’, ‘রাষ্ট্র বনাম একা’, ‘আপেল কাটা ছুরি’, ‘গোলাপি দরজা’, ‘পতাকায় ফাল্গুন মানচিত্রে বসন্ত’, ‘ফুলশুমারি’, ‘আমাদের ভদ্র হবার গল্প’, ‘এখন তুই মাঠ, আমি খেলছি’, ‘গোলাপেও দুর্দিন ফোটে‘ ‘বেয়াদবি মাফ করবেন’ রাখাল বালক, সুবর্ণ চাষা’ ‘কবিতা সমগ্র’
ছড়াগ্রন্থ :কার ঘাড়ে কে চড়ে’, ‘ফন্দিফিকির’, ‘কাঠমোল্লা’, ‘রাজনীতি এ্যটরেট জনগণ ডটকম’, ‘বুকের ভেতর বাংলাদেশ’, ‘বৃষ্টিকাব্য’, ‘বন্ধুকাব্য’, ‘মুঠির ভেতর আগুন ঝরে কার’, ‘সময়ের কাব্য’, ‘হায় পাখি’, ‘ছড়া বসন্ত
গল্পগ্রন্থ :গ্লাসভাঙা দুপুর
আখ্যানকাব্য :রাজাকারনামা
প্রবন্ধ :গল্প রাতে নাটক সকালে
তথ্যগ্রন্থ :আন্তর্জাতিক দিবস জাতীয় ভাবনা
সম্পাদিত গ্রন্থ :আমার স্বপ্ন আমার স্বাধীনতা’, ‘কবিতায় বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধুর কবিতা’, ‘দুই বাংলার মুক্তিযুদ্ধের নির্বাচিত কবিতা’ ‘বঙ্গবন্ধু শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ ‘মুক্তিযুদ্ধের নির্বাচিত গল্প’

 

 

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

28 25 5 3

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২৬ মাসস রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান …

Leave a Reply

Your email address will not be published.