
মাস্টারি বিডি । শান্তা ইসলাম
ফিচার । ঢাকা । ০৫ মে ২০১৯ । ২২ বৈশাখ ১৪২৬
ঋতুরাজ বসন্তে কাণ্ডটি ঘটে। প্রকৃতিতে তখন পলাশ, শিমুল, কৃষ্ণচূড়াসহ আগুনরঙ্গা বিভিন্ন ফুলের সঙ্গে রক্তকাঞ্চনের রং লেগে যায় দারুণভাবে।

একটি তথ্য দেওয়া যাক, রমনা পার্কে রক্তকাঞ্চনের একটি বীথি আছে। পার্কের বকুলবীথির দক্ষিণ দিকে। রক্তকাঞ্চন গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বৃক্ষ। এদের প্রধান কাণ্ডের সঙ্গে একাধিক কাণ্ডও দেখা যায়।

পাতা দেবকাঞ্চনের চেয়ে আকারে ছোট, গড়ন গোলাকার, আগার দিকে বিভক্ত। বীজ ও কলমের মাধ্যমে চাষ করা হয়। আদি আবাস ভারতীয় উপমহাদেশ। এ বৃক্ষ শোভাবর্ধনকারী হিসেবে সমাদৃত। বিশেষ করে পার্কে, সড়কের দুধারে লাগানো হয়। ফুল ফুটলে এ কাঞ্চনের রূপে বিমোহিত হয় মানুষ।

মজা হচ্ছে বসন্তে প্রায় নিষ্পত্র গাছ গোলাপি-বেগুনি রঙের ফুলে ছেয়ে থাকে।

পাপড়ি পাঁচটি, তার মধ্যে একটি বড় ও গাঢ় রঙের, তাতে কারুকার্য থাকে। ফল শিমের মতো। রক্তকাঞ্চনের একটি সাদা ফুলের জাতও আছে, ভারি সুন্দর।

ফুল ফুটলে গাছে কাঠবিড়ালি এবং পাখ-পাখালির আনাগোনা থাকে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি।

রক্তকাঞ্চনের বৈজ্ঞানিক নাম Bauhinia variegata.। পরিবার Fabaceae.। ইংরেজি নাম Camel’s foot Tree.।

মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম