মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ০২ ফাল্গুন ১৪২৩
গ্রন্থমেলার যেদিকে চোখ গেছে, সেদিকেই দেখা গেছে শুধু রঙ আর রঙ। যেন পুরো চত্বর জুড়ে বসেছিলো রঙেরই মেলা। নারীদের পরনে হলুদ, কমলা, বাসন্তিসহ নানা রঙের শাড়ি, খোঁপায় গাঁদা-গোলাপসহ নানা রঙের ফুল ও ফুলের রিং এবং কাচের চুড়ির ঝনঝনানিতে মুখর হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ। ছেলেরাও মেলায় এসেছিলো হলুদসহ নানা রঙের পাঞ্জাবি পরে।
সবমিলিয়ে ফাগুনের রঙে বর্ণিল হয়ে উঠেছিলো অমর একুশে গ্রন্থমেলা। পহেলা বসন্তে বইয়ের মহামিলনের এ গ্রন্থমেলায় পাঠক-দর্শনার্থীর বাহারি সাজ রঙের আবির ছড়িয়ে আনে প্রাণের দোলা।
বসন্তের এ দিনে পাঠকদের বাড়তি আনন্দ ও নতুন বইয়ে অটোগ্রাফ দিতে একাধিক কথাসাহিত্যিকও এসেছিলেন মেলায়। ইমদাদুল হক মিলন, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, মোহিত কামাল, কবি নূরুল হুদা প্রমুখ কবি-কথাসাহিত্যিকে মেলা চত্বরে পাঠকদের অটোগ্রাফ দিতে ব্যস্ত দেখা গেছে।

সোমবার ছিলো মেলার ১৩তম দিন। এ দিন নতুন বই এসেছে ৭১টি এবং ১৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। ফাল্গুনের প্রথম এ দিনটিতে সবচেয়ে বেশি এসেছে কবিতার বই। অর্থাৎ আজ কবিতার বই এসেছে ২৭টি, গল্প ১১টি, উপন্যাস ৬টি উল্লেখযোগ্য।
সোমবার গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের জন্মদ্বিশতবার্ষিকী শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রাবন্ধিক-গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক শফিঊল আলম। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ড. সফিউদ্দিন আহমদ এবং ড. রতন সিদ্দিকী।
সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, উনিশ শতকের প্রথম দিকে বাংলায় যে নবজাগরণের সূচনা হয় তাঁদের অন্যতম মদনমোহন তর্কালঙ্কার। তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী, সৃষ্টিশীল ও মননশীল। শিশুশিক্ষা থেকে নারীশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা সর্বক্ষেত্রেই রেখেছেন উল্লেখযোগ্য অবদান। সবমিলিয়ে তিনি একজন রেনেসাঁ-মানব।
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সুবীর নন্দী, জীনাত রেহানা, দীনাত জাহান মুন্নী, অনন্যা আচার্য্য এবং সঞ্জয় কুমার দাস।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম