মাস্টারি বিডি । বাঁধন
ফিচার বিভাগ । ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ । ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
যদি মনে হয়ে থাকে আপনার স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে… আপনি অল্পতেই ভুলে যাচ্ছেন; কিংবা খুবই বুড়িয়ে যাচ্ছেন বলে বোধ হচ্ছে! তাহলে আপনি এই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলুন- আপনি নিয়ম করে পালং শাক খাবেন।
এ তথ্য জেনে আপনি হয়তো বিস্মত হতে পারেন যে, পালং শাক খেয়ে ধরে রাখা সম্ভব বয়স। এমনকি ক্যানসার প্রতিরোধেও অব্যর্থ ওষুধ এই পালং শাক! শিকাগোর হেলথ ও এজিং প্রকল্পের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভনয়েড, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে। দীর্ঘদিন মস্তিষ্কের শক্তি অটুট রাখে। অনেক বেশি বয়স পর্যন্ত স্নায়ুতন্ত্র নির্ভুলভাবে কাজ করে।

পালং শাকের ফ্ল্যাভনয়েড নারীদের শরীরে অব্যর্থ ওষুধের কাজ করে। প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায় গর্ভাশয়ে ক্যানসারের শঙ্কা। এছাড়া পালং শাকে থাকা ক্যারটিনয়েড, নিওজ্যানথিন প্রস্টেট ক্যানসারের কোষকে মেরে ফেলে।
এছাড়া এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘ই’। দিনে গড়ে ৩০ গ্রাম পাংল শাক খেলে ভবিষ্যতে অ্যালঝাইমার্স হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। শুধু মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা বা ক্যানসার প্রতিরোধই নয়, শরীরকে সুস্থ ও নীরোগ রাখতেও পালং শাকের জুড়ি নেই। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, যা চোখের ভেতরের ও বাইরের অংশগুলোয় পুষ্টি জোগায়;
অকাল অন্ধত্ব থেকে চোখকে রক্ষা করে। এছাড়াও পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। এটি মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস থেকে শরীরকে রক্ষা করে। গর্ভস্থ শিশুর মেধা বিকাশেও এই শাকের গুরুত্ব অপরিসীম। ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, ও বি৬ প্রচুর পরিমাণে রয়েছে পালং শাকে, যা চুল পড়া রোধ করে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

এই যে এত বেশি উপকার যে জিনিসটির তারও কিন্তু অল্প কিছু অপকারিতা রয়েছে!
যেমন- পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে অক্সালিক অ্যাসিড রয়েছে এই কারণে পালং শাকে থাকা আয়রন, ক্যালসিয়াম ও মিনারেল সহজে শরীরে অ্যাবজর্ব হতে পারে না। কিডনি ও ব্লাডারে স্টোনের সমস্যা থাকলে পালং শাক এড়িয়ে চলুন। এছাড়াও রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকলে, হেপাটাইটিস, আর্থ্রাইটিস, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে পালং শাক খাবেন না।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম