মাস্টারি বিডি । শিমুল আহসান
বিনোদন ডেস্ক । ২৩ অক্টোবর ২০১৮ । ০৮ কার্তিক ১৪২৫
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে তাঁর সরকারী বাসভন গণভবনে সাস্প্রতিক সৌদি আরব সফর নিয়ে আয়োজিত এক জনাকীর্ন সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেছেন।
এবারের নির্বাচনকালীন সরকারের আকার কমানো নাও হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

দেশে আগামী নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠানের বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আশংকা থাকা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা সংশয়ের সৃষ্টি করছে কারণ তাদের আসল উদ্দেশ্য বাংলাদেশে আর যেন গণতন্ত্র না থাকে এবং দেশে গণতন্ত্র না থাকলেই তাদের জন্য নানারকম সুযোগ সৃষ্টি হয়।’
নির্বাচনকালীন মন্ত্রীসভা গঠন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, গত নির্বাচনে তৎকালীন বিরোধীদল বিএনপিকে আহ্বান জানিয়েছিলাম-যেন তারা মন্ত্রিসভায় আসে। সবাই মিলে একটা মন্ত্রিসভা করে নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা আসেনি।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে আমরা মন্ত্রিসভা ছোট করে একটা নির্বাচন করেছি। কিন্তু এখন প্রেক্ষাপট আলাদা। আগের মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দল ছিল না। এখন জনগণের প্রতিনিধিদের প্রায় সবাই মন্ত্রিসভায় রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের অনেকগুলো উন্নয়নমূলক প্রকল্প চলমান রয়েছে, অনেক কাজ করতে হবে। মন্ত্রিসভা ছোট হলে আমাদের উন্নয়নে সমস্যা হবে কিনা সেটাই ভাবছি। তিনি বলেন, এখন মন্ত্রিসভা ছোট করে একজনকে দু-তিনটা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিলে পারবে কিনা। এতে উন্নয়নে বাধা হবে কিনা সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। সরকার প্রধান বলেন, আগামী ৩-৪ মাসে উন্নয়ন কর্মকান্ডকে আরও এগিয়ে নিতে চাই। যা হোক, আমি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এভাবে নির্বাচন হয়। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, ভারতের মতো দেশে এভাবে নির্বাচন হয়ে থাকে।

প্রধানমন্ত্রী দৃপ্ত কণ্ঠে বলেন, আমি এটুকু বলতে পারি যতক্ষণ বেঁচে আছি, বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ে আর কাউকে এই জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করবে, পুড়িয়ে মারবে, এ ধরনের ঘটনা আর যাতে না ঘটে, সেজন্য যা যা করণীয় সেটা করবো। শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ যেন শান্তি ও নির্বিঘ্নে বসবাস করতে পারে এর জন্য যে কাজ করা দরকার আমরা তা করবো- এইটুকুর নিশ্চয়তা দিতে পারি।’
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম