
মাস্টারি বিডি ডটকম ।
দিনাজপুর । ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ । ২৫ পৌষ ১৪২৪
পৌষের শেষ প্রান্তে এসে এবার শীত জেকে বসেছে সারা দেশের ওপর। তীব্র শৈতপ্রবাহে জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষের দুর্গতির যেন শেষ নেই। পিছিয়েপড়া বঞ্চিত অভাবতাড়িত মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। শীত নিবারণের জন্যে প্রয়োজনীয় পোশাক ও খাদ্য নেই। সারারাত শীতের সঙ্গে যুদ্ধ করে কাটাতে হচ্ছে। দিনে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহানোর মধ্যদিয়ে তারা শীত প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সারাদিন সূর্যের দেখা না পাওয়ায় কোনক্রমেই যেন শীতকে দূর করা যাচ্ছে না। সারাদেশের ওপর দিয়ে শৈতপ্রবাহ বয়ে গেলেও উত্তরবঙ্গে কিন্তু সবচেয়ে বেশি কামড় বসিয়েছে।
উত্তরের জনপদ দিনাজপুরে টানা চারদিনের শৈতপ্রবাহে জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুরে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে ১১ দশমিক ১ সেলসিয়াস হলেও বিকেলে তাপমাত্রা ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে।

দিনাজপুরের আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আজাদুল হক মন্ডল জানান, রোববার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। সকাল ৯ টা পর্যন্ত বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ ভাগ। ঘন্টায় ৩ নটিক্যাল মাইল বাতাসের গতিবেগ রেকর্ড করা হয়। গত চারদিন থেকে উত্তরের জনপদ দিনাজপুরসহ এ অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়।
শৈতপ্রবাহ আরো ২ দিন থাকবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। খবর বাসস-এর।
দিনাজপুর শহর ঘুরে দেখা গেছে, টানা চারদিনের কনকনে বাতাসের সাথে হাঁড় কাঁপানো শীতের কামড়ে জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। সারাদিনে সূর্যের আলো কোথাও দেখা যায়নি। কর্মহীন হয়ে পড়েছে দিনমজুরেরা। প্রচন্ড শীতে শিশু ও বয়ষ্কদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ঘন কুয়াশার কারণে জেলার সবক’টি রুটে যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চালাতে দেখা গেছে। শীতের কারণে শীতবস্ত্র ক্রয় করতে বাজারগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম