
মাস্টারি বিডি । শান্তা ইসলাম
ফিচার । ঢাকা । ২৮ এপ্রিল ২০১৯ । ১৫ বৈশাখ ১৪২৬
ডায়ান্থাস ক্যারিফিলাস পরিবারের ৩০০ প্রজাতির সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতি। এটি মূলত ইউরোপ ও এশিয়ার স্থানীয় হলেও, দক্ষিণ থেকে উত্তর আফ্রিকায় এর বিস্তৃত কিছু প্রজাতি এবং উত্তর আমেরিকার একটি প্রজাতি (D. repens) রয়েছে।

প্রচলিত নামের মধ্যে carnation (D. caryophyllus), পিংক (D. plumarius ও সম্পর্কিত প্রজাতি) এবং সুইট উইলিয়াম (D. barbatus) অন্তর্ভুক্ত।

আমাদের দেশে শখের বাগানের অন্যতম ফুল ডায়ান্থাস। এটি শীতের ফুল। তবে আমাদের দেশে এটি শীত কালীন ফুল হিসাবে দেখা হলেও এটি বহুবর্ষজীবি।

যেখানে গ্রীষ্মকালে ঠান্ডা থাকে সেখানে রেখে দিলে সারা বছর ফুল পাওয়া যায়।

ডায়ান্থাস অনেক রকমের মন মাতানো রঙের হয়। কখনো এক রঙের কখনো বা বাই কালারের।

পাতা সরু সরু, ২-৩ সে.মি.র মধ্যে হয়। ফুলের পাপড়ি প্রধানত ৫টি। ফুলটির ভিতর থকে বাইরের দিকে সরু সরু দাগ থাকে।

পাতার কিনারাগুলি খাঁজ কাটা হয়, অনেকটা পেনসিন কলে পেনসিন ছোলার কাঠের কুচির মত।

বীজ হয়, অতি সূক্ষ্ম। ডায়ান্থাসের জাপানিজ পিংক ও চায়না পিংক নামে দুটি উন্নত জাত আছে । বীজ সংগ্রহ করে বছরের যেকোন সময় গাছে হতে পারে, তবে শীত কালের পরিবেশ ডায়ান্থাসের জন্য আদর্শ। চুনযুক্ত দোয়াস মাটি এই ফুলের পক্ষে আদর্শ।

ফুল আসার পর কাটিং করলে পরবর্তী ফুলগুলি বেশি হয় ও আকারে বড় হয়। ফুলগুলি কাটিং করে ডালশুদ্ধ ফুলদানীতে সাজানো যায়।

মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম