Home / ব্যানার / যা করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষায় : অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির
shariffenamulkabirprofessormbd

যা করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষায় : অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির

মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ২২ মে ২০১৭ । ০৮ জৈষ্ঠ্য ১৪২৪

কোনো রাষ্ট্রের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা যদি একটি কাঠামো হয়, তবে প্রাথমিক শিক্ষা তার ভিত্তি। ভিত্তি দুর্বল হলে তার ফল পাওয়া দুষ্কর। শিক্ষার মৌলিক পাঠদান সেটা প্রাথমিকেই হয়। তাকে মৌলিক অক্ষর-জ্ঞানের পাশাপাশি এই সময়ে ন্যায়নীতি, সততা, আদর্শ, সমাজনীতি, চরিত্র গঠন, দেশপ্রেম সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া হয়। এর প্রারম্ভিক পর্ব যদিও পরিবারে, তবে প্রারম্ভিকতার ভিত্তি স্থায়ী হয় শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে। শিক্ষককে ভক্তি-শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে তারা বড়দের ভক্তি-শ্রদ্ধা করতে শেখে। খুদে শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের শিক্ষকরাই পৃথিবীর সবচেয়ে জ্ঞানী। শিক্ষক যা বলবেন, সেটাই ধ্রুব সত্য। এই বোধ তাদের জীবনে কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নির্ভর করে রাষ্ট্র কীভাবে তাদের গড়ে তুলতে চায়, জাতি ভবিষ্যতে তাদের কাছ থেকে কোন ধরনের সেবা পেতে চায়, তা পরিষ্কার করার ওপর। ভবিষ্যৎ নাগরিকদের কীভাবে গড়ে তুলবে পিতামাতার চেয়ে রাষ্ট্র অধিক যত্নবান হবে, আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কাছে এটাই প্রত্যাশিত। একজন শিক্ষার্থী দেশ, জাতি ও সমাজের প্রতি কতটুকু দায়িত্বশীল হবে, এ বিষয়টি সর্বাংশেই নির্ভর করে তার প্রাথমিক জীবনের শিার ওপর।

প্রাথমিক শিা খাতে সংখ্যা দিয়ে বিবেচনা করলে দেখা যাবে উন্নতি হয়েছে ঠিকই, তবে যে গতিতে হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। বরং কিছু ক্ষেত্রে মানের অবনতি ঘটেছে। প্রাথমিক শিা শেষ করা শিার্থীদের এক-তৃতীয়াংশের মৌলিক অর ও সংখ্যা-জ্ঞানে দুর্বলতা থেকে যাচ্ছে এখনো। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বারবার শিক্ষা প্রসারের ফিরিস্তি তুলে ধরছে। প্রতিবছর কত শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাচ্ছে, কত শিক্ষার্থী পাস করছে, শতকরা পাসের হার বেড়েছে কত- এসব পরিসংখ্যান নিয়ে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরিতুষ্টির অভাব নেই। তারা গণমাধ্যমে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে সন্তুষ্টিসূচক বক্তব্য দিচ্ছেন। আসল চিত্র কত ভয়াবহ হতে পারে, তা মাঠপর্যায়ের চিত্র অবলোকন করলে বোঝা যায়। পাঠ্য বিষয় ও পাঠদান পদ্ধতি সম্বন্ধে তাদের অবস্থা নড়বড়ে। কী চান তারা, এটা আজও পরিষ্কার নয়। ফি বছর এ বিষয়ে সমস্যার শেষ নেই, কথার অন্ত নেই- সমাধানের পথ অন্ধকারে আজও।

প্রান্তিক পর্যায়ের স্কুলগুলোয় এখন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি আশাজাগানিয়া- এটা সত্য। সরকার শিক্ষার উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বেশি উপস্থিতি সেটা প্রমাণ করে। তবে সকালে রুটিনমাফিক বিদ্যালয়ে উপস্থিতিই কি শিক্ষার্থীদের সব? সারাদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে বিনামূল্যে তারা যা শিখছে, ওইটুকুই। তার বাইরে তাদের সৃষ্টিশীলতা কী? তারা কী মানের পড়ালেখা শিখছে? তার খবর কে রাখে? অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসে, কারণ নিয়মিত উপস্থিত হলে খাবার পায়, উপবৃত্তি পায়। তবে শিতি হয়ে পরে তারা অনেক বড় কিছু হবে- এমন আশা তাদের মধ্যে সৃষ্টি করতে পেরেছি আমরা, মনে হয় না। শিক্ষক বা পিতামাতা- যে কারো মাধ্যমেই হোক, তা হয়নি, হচ্ছে না। তবে এর ন্যূনতম আশার দিক হলো, এতে শিক্ষার্থীরা অন্তত অক্ষর-জ্ঞান শিখছে। স্বাক্ষর দিতে পারছে। কিন্তু প্রচলিত প্রতিযোগিতায় এটুকুই শেষ কথা নয়। বিশ্বব্যাংক তাদের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিা শেষ করার পর শিার্থীদের এক-চতুর্থাংশ থেকে এক-তৃতীয়াংশ শিার্থীর মৌলিক অর ও সংখ্যা-জ্ঞানে দুর্বলতা থেকে যাচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষায় অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতার ছাপ রয়েছে। বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি অব্যবস্থাপনার এই চিত্র উঠে এসেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনেই। সংস্থাটি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছে, প্রাথমিক শিায় সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের পরও কাক্সিক্ষত ও আশাজাগানিয়া পরিবর্তন আসছে না। এ অবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল নয় ধরনের নির্দেশনামূলক বার্তা দিয়ে মাঠ প্রশাসন ও শিকদের সতর্ক করেছেন। এসব নির্দেশনা অমান্য করলে বিভাগীয় ব্যবস্থাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। গণমাধ্যমে এ ধরনের খবর প্রকাশিত হয়েছে। গত ২ মার্চ এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সারা দেশে প্রাথমিক শিার মান, শিার পরিবেশ, আর্থিক স্বচ্ছতা, ঝরে পড়া রোধে শিকদের আন্তরিকতার অভাব, প্রশিক্ষণ ক্রাসরুমে ব্যবহার না করা, খেলাধুলা ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করার মতো গর্হিত কাজে লিপ্ত হচ্ছেন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা। শিক্ষকদের এসব কাজে জোগান দিচ্ছেন বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সুপারিনটেনডেন্ট পিটিআই ও পিটিআই ইনস্ট্রাকটরা।

শিক্ষাবিদ, সচেতন অভিভাবক-শিক্ষক, সমালোচকরা বরাবরই প্রাথমিক শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে উদ্বেগের মাত্রা দ্বিগুণ হয়, যখন প্রাথমিক শিক্ষার মান দেখভালের দায়িত্বে থাকা সরকারি সংস্থার প্রতিবেদনেই শিক্ষার নিম্নমান, শিক্ষকদের অবহেলা-অদক্ষতার বিষয়গুলো উঠে আসে। সরকার বিভিন্ন ধাপে প্রাথমিক স্কুল জাতীয়করণ, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, মর্যাদা, জীবনমান উন্নয়নে নানা পদপে নিয়েছে। এর পরও বিগত বছরগুলোয় জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ফলাফলে শিক্ষার্থীদের প্রান্তিক যোগ্যতা অর্জন ও শিক্ষার মান-সংক্রান্ত প্রবণতা প্রকট এবং হতাশাজনক চিত্র উঠে এসেছে। শিকরা দায়িত্ব পালনে প্রত্যাশা অনুযায়ী সফল হতে পারেননি, যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। শুধু পর্যাপ্ত শিক্ষক, শিক্ষার অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ দিয়ে যে, শিক্ষার মান নিশ্চিত করা যাবে না, এটি এখন পরিষ্কার। এ জন্য দরকার সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক, মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন শিক্ষক।

যে বছর ৯৫ শতাংশ শিশু প্রাথমিক সমাপনীতে উন্নীত হলো, সেই বছরও গণিত ও ইংরেজিতে তেমন ভালো করতে পারেনি অনেক শিশু। এর প্রভাব ধাপে ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ঠেকছে। আমরা দেখছি, গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাচ্ছে না। সেখানে মানের বিষয়ে একটা উদাহরণ আমরা পাচ্ছি। ঝরে পড়ার সমস্যা আরেক চ্যালেঞ্জ। ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে এটা কমে আসছে। কিন্তু এখনো প্রাথমিক শেষ করার আগে প্রতি পাঁচজনে একজন শিশু ঝরে পড়ছে। ঝরে পড়ার এ প্রবণতা প্রত্যেক ধাপেই দেখা যায়। যে কারণে উচ্চশিক্ষার দোরগোড়ায় পৌঁছার আগে ৭০ শতাংশই হারিয়ে যাচ্ছে।

গত আট বছরে প্রায় দেড় লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শিকদের দক্ষ করতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে যথাযথভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। এমনকি মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শন কর্মকর্তারাও অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টি উপেক্ষা করছেন। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট, সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট, ইনস্ট্রাকটর ক্ষেত্রবিশেষে সব ধরনের প্রশিক্ষণ মূল্যায়ন করেন না। শিক্ষকরা প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা শ্রেণিকে পাঠদানকালে যথাযথ প্রয়োগ করেন না। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে শিক্ষাব্যবস্থার দুরবস্থার চিত্রের পাশাপাশি করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে তার বাস্তবায়ন কবে হবে, আদৌ হবে কিনা- সে প্রশ্ন রয়েই যায়।

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা, দৈনিক পাঠ পরিকল্পনা ও পাঠ উপকরণ নিয়ে পঠন প্রক্রিয়াকে কার্যকর ও আকর্ষণীয় করে তোলা শিক্ষকদের দায়িত্ব। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসার জন্য আগ্রহী করতে এবং শ্রেণিকক্ষে ধরে রাখতে বিদ্যালয়ের আনন্দঘন সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা আবশ্যক। এসব কাজে সরকার অর্থ বরাদ্দ করলেও অনেক শিক্ষক তা করছেন না। প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ দীর্ঘদিন খরচ হচ্ছে না। নির্ধারিত সময়ে কাজ হচ্ছে না। অর্থ ব্যয়ে কোনো স্বচ্ছতা নেই। গুরুতর আর্থিক অনিয়ম হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। যে কারণে বিদ্যালয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসছে না। জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবন, শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ, সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের প্রস্তাব প্রেরণকালে প্রকৃত চাহিদা পাঠানো হচ্ছে না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের বিপত্তি ঘটছে। অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয়ও অনেক ক্ষেত্রে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

সমালোচকদের দৃষ্টিতে কেবল নেতিবাচক দিকই ফুটে ওঠে। প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতিতে যে উল্লেখ করার মতো কিছু উন্নতিও হয়েছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। বাংলাদেশকে তথাকথিত দরিদ্র ও নিরর মানুষের দেশ বলা হলেও প্রায় সব শিশুকে আমরা বিদ্যালয়ে আনতে পেরেছি। বাংলাদেশের মতো একটি রণশীল সমাজে প্রাথমিক শিায় ছেলেমেয়েদের সমতায় আনা সম্ভব হয়েছে। শিার জন্য সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে একটি চাহিদা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। শ্রমজীবী-দিনমজুর মানুষও আজ বলছে, আমার সন্তানকে লেখাপড়া শেখাতে হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের অনেক রাজ্যও এত দূর এগোতে পারেনি। প্রাথমিকে সমতা বা মেয়েশিশুর শিার গুরুত্ব ধারাবাহিকভাবে সব সরকারের মধ্যেই দেখেছি। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তৃত হয়েছে, তাও অবৈতনিক।

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের অনেক উদ্যোগ রয়েছে। এখন নিজেদের সচেতনতা দরকার। কেবল মানসম্মত শিা বা উন্নততর অবকাঠামো নির্মাণই যথেষ্ট নয়। শিার্থীদের আগামী দিনের জন্য সৎ, দ, দেশপ্রেমিক ও উদার মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন অসাম্প্রদায়িক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিকদের দায়িত্ব নিতে হবে। নিয়মিত অ্যাসেম্বলি, শিার্থীদের শপথ পাঠ করানো, জাতীয় সংগীত গাওয়ানো, জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত পাঠ্যক্রমের বাইরে নিতে হবে, তাদের জ্ঞানমুখী করতে হবে। নির্ধারিত পাঠের বাইরে ক্রীড়া ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, জাতীয় দিবস উদযাপন, বইপড়া প্রতিযোগিতা, মা দিবস আয়োজনসহ নানা কর্মসূচি পালনে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। এতে শিশুদের মানবিক বিকাশ বাড়ে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিদ্যালয়ে খুদে লাইব্রেরি বা বুক কর্নার স্থাপন করতে হবে। একেকজন শিককে এ দায়িত্ব দিতে হবে। প্রধান শিক্ষককে তা মনিটরিং করতে হবে। মাসশেষে শ্রেষ্ঠ পাঠককে পুরস্কার দিতে হবে; এতে তাদের মধ্যে বই পড়ার প্রতিযোগিতা বাড়বে। সর্বোপরি মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষাসহ প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকসহ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তৎপর হতে হবে।

ড. শরীফ এনামুল কবির : সদস্য, সরকারি কর্মকমিশন, সাবেক ভিসি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

12 7 2026 4

বন্যায় ৭ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ, নিহত ৫১

রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ | মাসস দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.