ঢাকা, শনিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪
১৫ বৈশাখ ১৪৩১, ১৮ শাওয়াল ১৪৪৫
দেশজুড়ে চলমান দাবদাহের মধ্যে রবিবার (২৮ এপ্রিল) সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করা হয়েছে। ক্লাসে এসে চলমান দাবদাহে শিক্ষার্থীরা পানি পান করতে ভুলে যেতে পারে; এতে তাদের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক (ডিসি) খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান শিক্ষার্থীদের পানি পান নিশ্চিত করতে ঘণ্টা বাজিয়ে বিরতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। যা স্কুলগুলোতে ‘পানি ঘণ্টা’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।এরই মধ্যে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি ক্লাস শেষে ‘পানি ঘণ্টা’ চালু ও পানি সরবরাহের জন্য নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। রবিবার থেকেই এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিটি ক্লাস শেষ হওয়ার পর পানি পানের সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা, যে কারণে তাদের বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেছে বিদ্যালয় খোলার প্রথম দিনে।
জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার লক্ষণপুর ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানসহ আশ-পাশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি ক্লাস শেষেই পানি ঘণ্টা দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা পর্যাপ্ত পানি পান করেছেন। এটা জেলা প্রশাসকের একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এই উদ্যোগ সারাদেশে ছড়িয়ে গেলে চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে শিক্ষার্থীরা স্বস্তি পাবে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাহমিদা মুস্তাফা বলেন, আমি প্রতিষ্ঠান চালুর প্রথমদিন রবিবার সকাল থেকে কুমিল্লা নগরীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোঁজ নিয়েছি। এদিন সকাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পানি পানে বেশ উৎসাহ দেখা গেছে। এতে শিক্ষার্থীরা বেশ খুশি।
এমন উদ্যোগ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান বলেন, তীব্র দাবদাহের কারণে শিক্ষার্থীরা যেন অসুস্থ হয়ে না পড়ে, সেজন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর পানি পানের জন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছি। রবিবার সকাল থেকে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খবর নিয়েছি। শিক্ষার্থীরা প্রতিবার ক্লাস শেষে পানি পান করছে। এতে শিক্ষার্থীরা ফুরফুরে আছে।
তিনি বলেন, প্রচণ্ড তাপদাহে শিক্ষার্থীদের কিছুটা স্বস্তি দিতে আমরা নিজস্ব উদ্যাগে ব্যতিক্রমী এ পানি ঘণ্টা চালু করেছি। যতদিন দাবদাহ থাকবে, পানি ঘণ্টা ততদিন চালু থাকবে।
-কালের কণ্ঠ
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম