
মাস্টারি বিডি । জাকারিয়া তুষার
ফিচার । ২৭ জানুয়ারি ২০১৯ । ১৪ মাঘ ১৪২৫
মোহনীয় এক পাখির নাম মোহনচূড়া। আবার হুদহুদ বা হুপো নামেও পরিচয় রয়েছে পাখিটির। বাংলাদেশের একটি বিরল পাখি। পাখিটির নামকরণ ‘মোহনচূড়া’ দিয়েছেন কথাসাহিত্যিক বনফুল।
ইংরেজি নাম Hoopoe বৈজ্ঞানিক নাম Upupa epops.।

সাদা-কালো-খয়েরি-হলুদ-কমলা রঙে সাজানো খোঁপাধারী চমৎকার এ পাখি মোহনীয় ভঙ্গিমায় মাথার খোঁপা বা চূড়াটি ফুলের মতো মেলে ধরতে পারে।

তবে দেখতে কিছুটা কাঠঠোকরার মতো হওয়ায় এবং সবসময় মাঠ-ঘাটে হেঁটে মাটি ঠুকরে বেড়ায় বলে কোনো অঞ্চলে এরা মাইঠো (মেঠো) কাঠঠোকরা নামে পরিচিত। কেউ কেউ আবার ওদুদ নামেও ডাকে।

মোহনচূড়া বাংলাদেশের সুন্দর পাখিগুলোর একটি। এদের দেহে সাদা-কালো-খয়েরি-হালকা হলুদ ও কমলা রঙের চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়। এদের মাথা-ঘাড়, পিঠের উপরের অংশ, বুক-পেট ও লেজের নিচের অংশে হালকা হলুদ, কমলা ও খয়েরি রঙের মিশেল।

পিঠের উপর থেকে ডানা হয়ে নিচের দিকে ইংরেজি ভি আকারের একটি ডিজাইন কালো-সাদা-কালো-কালো করে করে নিচে নেমে গেছে যা পাখিটির দেহের সৌন্দর্য বহুমাত্রায় বাড়িয়ে দিয়েছে। লেজেও রয়েছে সাদা-কালোর সমন্বয়।

তবে ডানা ও লেজের পালকের শেষ অংশ পুরোপুরি কালো। ডানা দেখতে অনেকটা জেব্রার মতোও লাগে। ঠোঁট, পা ও আঙুল ধূসরে-বাদামি। স্ত্রী-পুরুষ দেখতে একই রকম। এরা সবসময় এদের পালকের যত্ন নেয় ও চকচকে রাখে। তবে প্রজনন মৌসুমে পুরুষগুলোকে বেশ চকচকে দেখায়। অন্যদিকে বাচ্চাগুলোর রঙ কিছুটা হালকা।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম