
মাস্টারি বিডি । বাঁধন খান
ফিচার । ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ । ২২ মাঘ ১৪২৫
বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মাছ পুঁটি। স্বাদে ঘ্রাণে মাছটি আকর্ষণীয়। দেখতেও খুব সুন্দর।

বাঙ্গাল – পুঁটি মাছের কাঙ্গাল।
বাঙালি পুঁটি মাছ যে কত বেশি ভালোবাসে- তা বোঝা যায় এই প্রবাদ প্রবচনের মাধ্যমে।

পুঁটি মিঠা পানির মাছ। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কায় এই মাছ প্রচুর দেখা যায়। নদী, খাল, বিল, পুকুরে এই মাছ বাস করে। স্বাদের বিচারে এই মাছ দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই ভাগ দুটি হলো- তিত পুঁটি এবং জাত পুঁটি।
তিত পুঁটি স্বাদে কিছুটা তিতা হয়ে থাকে।

জাত পুঁটি (Puntius sophore)। এদের গায়ের রঙ রুপালি। অনেক জাতপুঁটির দেহের রুপালি রঙের সাথে লালচে ভাব থাকে। জাতপুঁটির লেজের বেশ কাছে প্রায় গোলাকার একটি কালো দাগ থাকে।

কাঞ্চন পুঁটি (Puntius conchonius) । এদের গায়ের রঙ কালচে। জাতপুঁটির লেজের বেশ কাছে প্রায় গোলাকার একটি কালো দাগ থাকে। এই পুঁটির লেজের দিককার কালো দাগ লেজ থেকে সমান্য দূরে থাকে।

পুঁটির দেহ মধ্যমাকার আঁশ দ্বারা ঢাকা থাকে। কানকো ঈষৎ লালচে ধুসর। চোখ তুণ্ডের কাছাকাছি এবং বড়। মুখে কোনো স্পর্শী নেই। পৃষ্ঠপাখনা পিঠের উঁচু অংশ থেকে শুরু করে পিঠের নিম্ন ঢালে শেষ হয়েছে।

খাদ্যের বিচারে এর সর্বভূক। এরা শৈবাল, ক্ষুদ্র জলজ প্রাণী, কাদা, বালি, প্রাণীর পচা অংশ, অন্যান্য মাছের ডিম্ব ইত্যাদি। এদের প্রজনন কাল গ্রীষ্ম। বর্ষাকালে এই মাছ প্রচুর পাওয়া যায়।

ইংরেজিতে পুঁটি মাছকে বলে spotted barbs.। বৈজ্ঞানিক নাম Puntius sophore, F. Hamilton.
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম