মাস্টারি বিডি ডটকম ।
চাঁদপুর । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ । ১০ ফাল্গুন ১৪২৪
চাঁদপুর জেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ১৯টি প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে। এতে ব্যয় হচ্ছে ২০২ কোটি ৪৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। এ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ চাঁদপুরের ৫টি সংসদীয় আসনের এমপিদের সুপারিশে ২৪৩টি প্রকল্পের প্রস্তাব পেয়েছে, এর মধ্যে ২৩৮টি প্রকল্প এলজিইডি গ্রহণ করেছে।
চাঁদপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. বাবুল আকতার উন্নয়ন প্রকল্পের সম্পর্কে জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পল্লি সড়ক ও কালভার্ট মেরামত কর্মসূচির আওতায় ২০ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে । এতে ব্যয় হচ্ছে ৫ কোটি ৭৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।
রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রজেক্ট ২ এর আওতায় ১৭টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে । এতে ব্যয় হচ্ছে ৫০ কোটি ৯০ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
অংশগ্রহণমূলক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্পের আওতায় ৫টি স্কীম গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হচ্ছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লিঅবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ৮৬টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ কোটি ২২ লাখ ১১ হাজার টাকা।
উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে ৩টি প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ৫ কোটি ৯৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে ৪টি প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ৩ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।
ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাসস্থান নির্মাণ ৪টি প্রকল্পের আওতায় ব্যয় হচ্ছে ৫১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৪টি ভবন নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৩ কোটি ৯৯ লাখ ২৪ হাজার টাকা। উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে সেতু নির্মাণ ২টি প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ৫২ কোটি ৩৫ লাখ ৯১ হাজার টাকা।
পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (কুমিল্লা, বি বাড়িয়াও চাঁদপুর জেলা শীর্ষক) এর আওতায় ৯০টি স্কিম গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হচ্ছে ৪০ কোটি ৮২ লাখ ২২ হাজার টাকা।
চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির ভবন নির্মাণ প্রকল্পের ১টি ভবন নির্মাণে ১ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।
তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন ৩টি প্রকল্পের আওতায় ৬২ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা খাতে ৩টি প্রকল্পের জন্যে ব্যয় হচ্ছে ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
চাঁদপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. বাবুল আকতার আরো জানান, ইতিমধ্যে ৬৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে জেলার গ্রামীণ সড়কগুলোর চিত্র অনেকটাই পাল্টে যাবে এবং যোগাযোগ আরো সহজ হবে। চাঁদপুরের ৫ জন সাংসদের নির্বাচনি ওয়াদাও অনেকটা পূরণ হবে। বাসস
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম