মাস্টারি বিডি । জাকারিয়া তুষার
প্রতিবেদন । ১০ মে ২০১৯ । ২৭ বৈশাখ ১৪২৬
শেরপুর জেলার গারো পাহাড় এলাকায় মৌচাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। মধু আহরণের মাধ্যমে আজ অনেক পরিবার স্বচ্ছল জীবন যাপন করছেন।
মৌচাষের ফলে পরাগায়ণের মাধ্যমে যেমন কৃষিতে ফলন বাড়ছে, তেমনি মধু বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী হচ্ছেন মৌচাষিরা।
সূত্র জানা যায়, বর্তমানে শুধু সরিষার মৌসুমেই নয়, বরং সারাবছরই সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকার গজারি বনে বাক্সে মৌমাছি পালন করে মধু চাষ করছেন তিনশতাধিক মৌচাষি।
যারা বৃহৎ পরিসরে মৌচাষ করছেন তাদের একশ থেকে আড়াইশ’ বাক্স রয়েছে। আবার অনেকে পারিবারিকভাবে দু’থেকে চারটি বাক্সের মাধ্যমে মৌচাষ করছেন।
মূলত, একশ’টি বাক্স থেকে বছরে ৪-৫ টন মধু সংগ্রহ করা যায়। খরচ বাদ দিয়ে ৬-৭ লাখ টাকা আয় হচ্ছে।
ঝিনাইগাতীর দুধনই গ্রামের মৌচাষি মো. আব্দুল হালিম। ৩টি বাক্স দিয়ে ওই এলাকার প্রথম মৌচাষী হিসাবে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। সাতবছরে এসে এখন তার বাক্সের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইশ’ত।
গারো পাহাড়ের মধু পাইকারি ১৬ হাজার টাকা মন দরে বিক্রি হয়ে থাকে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম