
মাস্টারি বিডি । কামাল বারি
প্রতিবেদন । ০২ মার্চ ২০১৯ । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৫
বসন্ত এলেই শিমুল পলাশ কৃষ্ণচূড়া আর রাধাচূড়ার ডালে ডালে আগুন লাগে! আর ফাগুন মানেই তো ফুলেল আগুনের বিপুল জাগরণ! শিমুল বেশ বড় বৃক্ষ- তার উপরে টকটকে লাল ফুলের এই যে বসন্ত- এর প্রাচুর্য কি বলে শেষ করা যায়! বহু বহু শিমুল ফুল যখন একযোগে ফুটে এক লাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলে- তখন প্রকৃতির পাখি পতঙ্গ আরো আরো প্রাণীর সে কী উল্লাস!

এই বিপুল লালের সাথে কী যে মাতামাতি! সরু চঞ্চু ডুবিয়ে মধু খাওয়া আর এ ফুল থেকে সে ফুলে ছোটাছুটি খুনসুটি! কাঠবেড়ালিরাও আকৃষ্ট হয়ে ফুলে ফুলে পরিভ্রমণ করে। আর মুনিয়া শালিক টিয়ে পাখিরা তো ওই সুধা মধু লালে মাতাল হয়ে নাচে গায় বিষ্ময়চোখে ফুলের দিকে চেয়ে থাকে অপলক!

কোথাও পাতার দেখা নেই – কেবল বৃতির যতটুকু সবুজ – শিমুলের এই অঙ্গবরন। শিমুল কেবল কি গাছেই থোকা থোকা রং ছড়ায়! তলায়ও কিন্তু রীতিমতো সুরম্য লাল গালিচা বানিয়ে ছাড়ে! বড় বড় ভারি ভারি ফুল ঘাসের ওপর ঝরে পড়ে ভারী সুন্দর দৃশ্যের তৈরি করে।

শিমুলকে ইংরেজিতে Silk cotton বলে। এটি মালভেসি পরিবারের একটি গণের নাম। এরা পশ্চিম আফ্রিকা ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এবং পূর্ব এশিয়া ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ার উপউষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের স্থানীয় প্রজাতি।

মালয়, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ চীন, হংকং এবং তাইওয়ানে ব্যাপকভাবে শিমুল গাছের চাষ হয়। চীনের ঐতিহাসিক দলিল-দস্তাবেজ থেকে জানা যায় যে, ন্যাম ইউয়েতের রাজা চিউ তো খ্রীষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে হ্যান শাসনামলে সম্রাটকে প্রদান করেছিলেন। একে সংস্কৃত ভাষায় শাল্মলি বলা হয়।

মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম