মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৬ । ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩
জাতিসংঘের ৭১ বছরের ইতিহাসে নবম মহাসচিব হিসেবে সোমবার শপথ নিয়েছেন গুটেরেস। এই প্রথমবার কোনো দেশের প্রাক্তন সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের মহাসচিব হলেন অ্যান্টোনিও গুটেরেস। তিনি পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে সদরদপ্তরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট পিটার থমসন তাকে শপথ পড়ান। ১ জানুয়ারি মহাসচিব বান কি মুন বিদায় নেবেন এবং এ দিন থেকেই নতুন মহাসচিব দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
অক্টোবর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গুটেরেসের নাম প্রস্তাব করা হলে কণ্ঠভোটে মহাসচিব পদে চূড়ান্ত হন তিনি। এর আগে ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাই কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সদস্যদের সামনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ভালো করেন গুটেরেস। পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী ও শরণার্থ হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনে তার যে অভিজ্ঞতা, তা কাজে লাগিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১৩ প্রার্থীর চেয়ে মহাসচিব পদে তিনি এগিয়ে যান। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ছয়বারের জরিপে তিনি এগিয়ে ছিলেন।
শপথ গ্রহণের পর জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্যদেশের উদ্দেশে ভাষণ দেন গুটেরেস। পদ্ধতি সহজ করে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে জাতিসংঘের বিকেন্দ্রীকরণের পক্ষে মত দেন তিনি।
গুটেরেস বলেন, ‘একজন কর্মী নিয়োগ দিতে যদি নয় মাস লেগে যায়, তাহলে এর মাধ্যমে কারো উপকার হবে না।’ তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘকে আরো গতিশীল, দক্ষ ও কার্যকরী করা প্রয়োজন। প্রক্রিয়ার চেয়ে কী দেওয়া হচ্ছে, তা ওপর বেশি জোর দেওয়া দরকার। আমলাতান্ত্রিকতার চেয়ে মানুষের ওপর গুরুত্বারোপ করা উচিত।’
জাতিসংঘকে আরো স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে চান গুটেরেস। তার মতে, যৌন সহিংসতা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ এখনো পর্যন্ত কাজ করতে পারেনি, জাতিসংঘের পতাকাতলে থাকা দেশগুলোর জন্য যা দরকার ছিল।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম