…নীলমণি লতা নামটি রবি ঠাকুরের দেওয়া। শান্তিনিকেতনে এই ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই নাম দিয়েছিলেন।…

মাস্টারি বিডি । শান্তা ইসলাম
ফিচার । ঢাকা । ০৭ এপ্রিল ২০১৯ । ২৪ চৈত্র ১৪২৫
নীলমণি ফুল ফোটে ঋতুরাজ বসন্তে। নীলমণি লতানো বা ঝোপালো হয়। পাতা উপবৃত্তাকার, খসখসে, হালকা সবুজ, কখনো কখনো শিরা বরাবর ঢেউ খেলানো। পাতা ছয় থেকে একুশ সেন্টিমিটার লম্বা এবং এগারো সেন্টিমিটার চওড়া।

মঞ্জরীদণ্ড তিন থেকে চার ইঞ্চি লম্বা এবং গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত অনেকগুলো ফুল হয়।

প্রত্যেক পাতার কক্ষ থেকে মঞ্জরীদণ্ড বের হয় এবং পুরো লতাটি ফুলে ফুলে ভরে যায়। ফুলে পাঁচটি পাপড়ি থাকে। বৃতি পাঁচটি। পাপড়ির চেয়ে বৃতির আকার বড়। বৃতি নীল রঙের।

নীলমণি লতা নামটি রবি ঠাকুরের দেওয়া। শান্তিনিকেতনে এই ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই নাম দিয়েছিলেন।

নীলমণির বৈজ্ঞানিক নাম Petrea volubilis, গোত্রের নাম Verbenaceae। এরা রোদ খুব পছন্দ করে। আদি নিবাস মধ্য আমেরিকা।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম