
সিলেটের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সরাসরি সিএনজিযোগে যাওয়া যায় দয়ারবাজারে। রাস্তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় ৩৫ কি.মি. দূরের এই জায়গার ভাড়া জনপ্রতি ১৬০-১৮০ টাকা। আর দয়ারবাজার থেকে আবার সিএনজিযোগে আপনাকে যেতে হবে চড়ারবাজারে। এই ৮ কি.মি. রাস্তা যাওয়ার জন্য জনপ্রতি ভাড়া গুনতে হবে ২৫-৩০ টাকা । চড়ারবাজার থেকে হেঁটে উতমাছড়া মূল স্পটে যেতে সময় লাগবে ১০-১৫ মিনিট।………..

মাস্টারি বিডি ডটকম ।
সিলেট । ১৮ এপ্রিল ২০১৮ । ০৫ বৈশাখ ১৪২৪
সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তে অসাধারণ একটি ভ্রমণের জায়গা উতমাছড়া ।
সিলেট জেলার নবীনতম এ ভ্রমণ-গন্তব্যটি একেবারেই মেঘালয় পাহাড়ঘেঁষা ।বর্তমানে এই জায়গাটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । পাথর বিছানো প্রান্তরের উপরে বয়ে চলা আয়নার
মত স্বচ্ছ পানি পাহাড়ের শরীর বেঁয়ে নেমে এসেছে বড় বড় পাথরের গায়ে। যেন প্রকৃতি অপার হস্তে সাজিয়েছে এই সিলেটকে- নান্দনিক সৌন্দর্যের এক কল্পিত রাণী যেন সিলেট। এসব নিয়ে উতমাছড়া

সিলেটের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণবিন্দুতে পরিণত হয়েছে । কাজেই সময় পেলে বেরিয়ে পড়ুন প্রকৃতির অপরূপ রূপের সুধা পান করতে । উতমাছড়া আপনাকে দু’হাত প্রসারিত করে আলিঙ্গন করবে আশ্চর্য এক ভালবাসার পরশ নিয়ে । সম্মোহনী শক্তি তার অসীম।

বিছানাকান্দির মতই সারি সারি নীল পাহাড়ের কোলে পাথর বিছানো বিস্তৃত এলাকার দেখা মিলবে এখানে । উতমাছড়াকে বলা হচ্ছে নতুন বিছানাকান্দি । দেখলে বিশ্বাস করতে চাইবে না আপনার দু’চোখ । এতোদিনে বিছনাকান্দি হয়তো আপনাদের ঘুরে আসা হয়েছে অনেকবার। এবার ঘুরে আসতে পারেন বিছনাকান্দির চেয়েও সুন্দর নতুন আরেকটি পর্যটন কেন্দ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্যে শোভিত অপরূপ এই লীলাভূমির নামই হচ্ছে উতমাছড়া।

গরমের অস্বস্তি থেকে প্রকৃতির কোলে শান্তি পেতে চাইলে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন উতমাছড়া থেকে। এখানে আপনি পেতে পারেন প্রকৃতির মনোরম লাবণ্যের স্পর্শ। একে জীবন-যাপনের যাবতীয় ক্লান্তি বিসর্জনের জন্য চমৎকার জায়গা বললেও বরং কম হয়ে যায়।

যে দিকেই যাবেন শুধু পাথর আর পাথর । চারদিকে পাথরের মেলা। সে সব পাথরের কোনোটাতে মোটা ঘাসের আস্তরণ, আবার কোনোটা বা ধবধবে সাদা।

যেভাবে যাবেন…
তবে বর্ষাকালই হচ্ছে উতমাছড়া বেড়ানোর উত্তম সময়। উতমাছড়ার প্রকৃত সৌন্দর্য বরষা চলে গেলে বা পানি কমে গেলে আর থাকে না । তখন এটা একটা মরুদ্যান মতো লাগে। পাথর বহন করার জন্য এখানে চলে অজস্র ট্রাক আর ট্রাকটর।
ঢাকার গাবতলি, সায়দাবাদ, ফকিরাপুল ও মহাখালি বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন ছেড়ে যায় এসি এবং নন এসি সিলেটের বাস । ভাড়া ৮০০ থেকে ১১০০ এর মধ্যেই । তবে এনা পরিবহনে ৪০০ থেকে ৫০০ এর মধ্যেই হয়ে যাবে।

সিলেটের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সরাসরি সিএনজিযোগে যাওয়া যায় দয়ারবাজারে। রাস্তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় ৩৫ কি.মি. দূরের এই জায়গার ভাড়া জনপ্রতি ১৬০-১৮০ টাকা। আর দয়ারবাজার থেকে আবার সিএনজিযোগে আপনাকে যেতে হবে চড়ারবাজারে। এই ৮ কি.মি. রাস্তা যাওয়ার জন্য জনপ্রতি ভাড়া গুনতে হবে ২৫-৩০ টাকা । চড়ারবাজার থেকে হেঁটে উতমাছড়া মূল স্পটে যেতে সময় লাগবে ১০-১৫ মিনিট।

বিছানাকান্দি থেকে হেঁটে সীমান্তঘেঁষে পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে গেলেও উতমাছড়ায় পৌঁছানো যাবে। -সংগৃহীত
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম