Home / প্রকৃতি / সবুজ বাঁশপাতি গাছে বাসা বানাতে পারে না
sabuj+banshpati+bird+mbd-2

সবুজ বাঁশপাতি গাছে বাসা বানাতে পারে না

মাস্টারি বিডি । শাহানা তৃণা
ফিচার । ঢাকা । ১৪ মে ২০১৯ । ৩১ বৈশাখ ১৪২৬

এ পাখি ‘ট্রিউ ট্রিউ’ শব্দ করে ডাকে। যারা পাখিটিকে চিনেন বা এটির সঙ্গে পরিচিত শব্দগুলো কানে পৌঁছামাত্রই খানিকটা হকচকিত হবেন তারা। পরিচিতদের কাছে ডাকটা চেনা চেনা লাগবে। এই ডাকের মধ্যে একধরনের মাদকতা আছে। তীক্ষ্ণ হলেও শুনতে খারাপ লাগবে না।

sabuj+banshpati+bird+mbd

পাখিটির বাংলা নাম সবুজ বাঁশপাতি। ইংরেজি নাম Green Bee-eater.। বৈজ্ঞানিক নাম Merops Orientalis.। অঞ্চলভেদে লোকে সুইচোরা, নরুন চোরা—এসব নামেও ডাকে পাখিটিকে।

এদের গায়ের বর্ণ উজ্জ্বল সবুজ। চঞ্চু কালো, একটু বাঁকানো। চোখের দুই পাশে কাজলরেখা ঘাড়ের সঙ্গে মিশেছে। চিবুক ও গলায় নীলের ছটা। গলার নিচে আছে নেকলেসের মতো একটা কালো টান। মাথা ও পিঠের ওপর অংশের পালক সোনালি। ডানার নিচে উজ্জ্বল তামাটে, যা শুধু ওড়াউড়ির সময়ে নজরে পড়ে। পায়ের রং কালচে। আমাদের দেশে সাধারণত চার প্রকারের বাঁশপাতি দেখা যায়—সবুজ বাঁশপাতি, পিঙ্গল মাথা বাঁশপাতি, নীললেজা বাঁশপাতি ও পাহাড়ি বড় বাঁশপাতি।

sabuj+banshpati+bird+mbd-3

বাঁশপাতি শীতকালে লোকালয়ের কাছাকাছি চলে আসে। বিদ্যুতের তারে অথবা শুকনো কঞ্চিতে ঘুরপাক খেতে খেতে এসে বসেই আবার উড়তে থাকে। বড় চঞ্চল। দলবদ্ধভাবে বাস করে।

এদের প্রজনন সময় শীতের শেষে। বাঁশপাতি গাছে বাসা বানাতে পারে না। সাধারণত নদীর পাড়ে খাড়া জায়গায় সুড়ঙ্গের মতো গর্ত করে ডিম পাড়ে। ডিমের সংখ্যা ৫-৭টি। রং ধবধবে সাদা। স্ত্রী-পুরুষ দুয়ে মিলে ২১-২৭ দিন ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায়।

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

12 7 2026 222

মাঝপথ থেকে ফেরি ঘুরিয়ে আনলেন এমপি হান্নান মাসউদ

রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ | মাসস নোয়াখালীর হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট থেকে নলচিরা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.