মাস্টারি বিডি । শিমুল আহসান
জাতীয় । ঢাকা । ১৩ এপ্রিল ২০১৯ । ৩০ চৈত্র ১৪২৫
শুভ নববর্ষ ১৪২৬। রোববার পহেলা বৈশাখ। চৈত্রসংক্রান্তির মধ্যদিয়ে আজ শনিবার ১৪২৫ সনকে বিদায় জানানো হলো।
নতুন সূর্যোদয়ে- সম্ভাবনার নতুন বছরে প্রবেশ করবে বাঙালি জাতি। পহেলা বৈশাখে বর্ণিল উৎসবে মাতবে দেশ। বাঙালি জাতি নতুন স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর সম্ভাবনাকে বরণ করে নেবে।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীসহ বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

কৃষিকাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা সন গণনার শুরু মোঘল সম্রাট আকবরের সময় থেকে। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌর সনের ওপর ভিত্তি করে প্রবর্তিত হয় নতুন এই বাংলা সন।
পাকিস্তান শাসনামলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের। আর ষাটের দশকের শেষে তা বিশেষ মাত্রা পায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের আয়োজনের মাধ্যমে।
দেশ স্বাধীনের পর বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীকে পরিণত হয় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। উৎসবের পাশাপাশি স্বৈরাচার-অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদও এসেছে পহেলা বৈশাখের আয়োজনে। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বের হয় প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা। ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো এ শোভাযাত্রাকে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়। এভাবেই বাঙালি জাতি তার ভাষা, সংস্কৃতি, স্বাধীনতা তথা গৌরবের স্বীকৃতি পায় বিশ্বময়।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম