মাস্টারি বিডি ডটকম ।
ঢাকা । ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ । ০৬ পৌষ ১৪২৪
আজ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবস-২০১৭ উদযাপিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আজ বুধবার রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি’র সদরদপ্তরে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান, প্রধানমন্ত্রীর দরবারে অংশগ্রহণ এবং সকল রিজিয়ন, বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজ, সকল সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
বিজিবি’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন আজ সকালে বাহিনীর রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন এবং ‘সীমান্ত গৌরব’-এ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন।
বুধবার সকালে বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিজিবিতে বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কর্মকর্তা ও সদস্যদের পদক প্রদান করেন। দুপুরে বীর উত্তম ফজলুর রহমান খন্দকার মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী বিজিবি সদস্যদের দরবারে বক্তব্য রাখেন।
এরআগে প্রধানমন্ত্রী বিজিবি সদর দপ্তরে এলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. মোস্তফা কামাল এবং বিজিবি’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রী বিজিবি সদর দপ্তরের বীরউত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজিবি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্যারেড কমান্ডার এবং বিজিবি’র উপমহাপরিচালক মো. জুলফিকার আলী।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ, তিনবাহিনী প্রধানগণ, বিদেশী কূটনীতিকবৃন্দ এবং পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিজিবি’র সদস্য হিসেবে আপনাদের পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধাবোধ, শৃঙ্খলাবোধ, মানবিকতা এবং সর্বোপরি পারস্পরিক সহানুভূতিশীলতাই এই বাহিনীর বন্ধন দৃঢ়তর করবে। কাজেই ভবিষ্যতে সবাই বাহিনীর নিজস্ব শৃঙ্খলার বিষয়টি ভালভাবে জেনে নিবেন, চর্চা করবেন এবং দেশের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করবেন।’
বিজিবি’র উন্নয়নে সরকারের সব রকম সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগ বিবেচনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ একটি গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠান।
তৎকালীন বিডিআর-এর ট্রাজিক ঘটনায় শহীদ ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ৫১ জন বিজিবি সদস্যের মাঝে বীরত্বপূর্ণ এবং কতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিজিবি পদক বিতরণ করেন।
বিজিবি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামীকাল ২১ ডিসেম্বর পিলখানাস্থ বীর উত্তম ফজলুর রহমান খন্দকার মিলনায়তনে বিজিবি মহাপরিচালকের বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম