মাস্টারি বিডি ডটকম ।
বান্দরবান । ১৬ এপ্রিল ২০১৮ । ০৩ বৈশাখ ১৪২৪
বান্দরবান জেলা শহরের রাজারমাঠ, ক্যচিংঘাটাসহ জেলার ৭টি উপজেলার পাড়ায় পাড়ায় অভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মারমা ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা তিন দিনব্যাপী মাহা সাংগ্রাইং পোয়ে উৎসব উদযাপন করছে। সোমবার ছিল এ উৎসবের দ্বিতীয় দিন, মারমা সম্প্রদায়ের তরুণ-তরুণীদের মৈত্রী পানি বর্ষণ বা জলখেলী পর্ব।

জেলা শহরের ক্যচিংঘাটায় এই প্রথমবারে অনুষ্ঠিত মৈত্রী পানি বর্ষণ পর্বটি ছিল দৃষ্টিনন্দন এবং উপভোগ্য। ১০ থেকে ১৮ বছর বয়েসী শিশু ও বালিকাদের নানারংয়ের পোশাক পরিহিত অবস্থায় মৈত্রী পানি বর্ষণ এবং নৃত্য ও গান-বাজনা ছিল দেখার মতো চিত্তাকর্ষক। উদযাপন পরিষদ সভাপতি উসিংমং মারমা ,তরুণ নেতা উছোমং মারমা এবং অন্যদের পরিচালনা ছিল মনমুগ্ধকর।

রোববার বেলা ২ টা থেকেই জলখেলী পর্বের সূচনা হয় শহরের ক্যচিংপাড়া মাঠে, চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। একই সময়ে শহরের রাজারমাঠসহ জেলার নানাস্থানে মারমা অধ্যূষিত এলাকায় পৃথকভাবে মৈত্রী পানি বর্ষণ বা জলখেলীর প্রথমদিন অতিবাহিত হয়। সোমবার বিকেলেও জেলা শহরের রাজারমাঠ, রোয়াংছড়ি, থানচি, রুমা, লামা, আলীকদম এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরে মৈত্রী পানি বর্ষণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে পৃথকভাবে।

এবার পাহাড়ের পরিবেশ ও পরিস্থিতি তুলনামুলক ভাল থাকায় ১১টি জাতি-গোষ্ঠী তাদের এতিহ্যবাহী মাহা সাংগ্রাইং পোয়ে বা বৈ সা বি উৎসব পালন করেছে শান্তিপূর্ণভাবে। জেলায় মূলত গত ১৫ এপ্রিল থেকেই এসব উৎসব উদযাপন কার্যক্রম শুরু হয়।
জেলা শহরের রাজারমাঠে আয়োজিত মৈত্রী পানি বর্ষণ উৎসবে অতিথি ছিলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি, জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন, পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন মজুমদার এবং বিভিন্ন পর্যায়ের ক্ষুদ্র নৃগেষ্ঠেী ও বাংগালি সম্প্রদায়ের সমাজনেতারা। অতিথিবৃন্দ জলখেলীতেও অংশ নেন। বাসস
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম