মাস্টারি বিডি ডটকম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া । ২৩ নভেম্বর ২০১৬ । ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩
নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের নিরাপত্তার জন্য উপজেলাকে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে সেখানে ৮টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আরো ১৯টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসাইন জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের নিরাপত্তায় নাসিরনগরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। তাদের নিরাপত্তার জন্য উপজেলাকে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
ইকবাল হোসাইন বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সাধারণ মানুষের সাথে উঠান বৈঠক ও সম্প্রীতি সমাবেশ করছেন। সংবাদ বাসস-এর।
তিনি আরো বলেন, নাসির নগরের পরিবেশ এখন স্বাভাবিক। এবং তান্ডবের ঘটনায় পুলিশ কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করছে না। ইতিপূর্বে যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, প্রত্যেককেই ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে সনাক্ত করার পর এবং বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেখানে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোন ধরনের আতংক নেই বলেও এই পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করেন।
গত রোববার দুপুরে নাসিরনগরের হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে মতবিনিময় করেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। এ সময় পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবু জাফরসহ পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় শেষে অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ক্ষতিগ্রস্তদেরকে পাহারার জন্য লাঠি, লাইট ও বাঁশি তুলে দেন।
গত ২৯ অক্টোবর ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় ৩০ অক্টোবর নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর করে দুষ্কৃতিকারীরা। এ সময় দুস্কৃতিকারীরা ১০টি মন্দির ও অর্ধশতাধিক ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
গত ৪ নভেম্বর ভোরে এবং ১৩ নভেম্বর ভোরে দুস্কৃতিকারীরা পুনরায় উপজেলা সদরের হিন্দু সম্প্রদায়ের ৬টি পরিত্যাক্ত গোয়ালঘর ও রান্না ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। এসব ঘটনায় নাসিরনগর থানায় পৃথক ৭টি মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ এ পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ দেখে ৮৫ জনকে গ্রেফতার করেছে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম