মাস্টারি বিডি । শাহানা তৃণা
ফিচার । ঢাকা । ১৩ মে ২০১৯ । ৩০ বৈশাখ ১৪২৬
পাখিটিকে বাংলায় ‘কালোঘাড় নীলাকটকটিয়া’ বলে। ইংরেজি নাম ‘ব্ল্যাক নেপড মোনার্ক’ Black-naped monarch.। বৈজ্ঞানিক নাম Hypothymis azurea.।

এরা ‘কালাঘাড় রাজন’ বা ‘কালো গ্রিবা পতঙ্গভুক’ নামেও পরিচিত। এ পাখি চঞ্চল হলেও হিংস্র নয়। বেশির ভাগই জোড়ায় জোড়ায় কিংবা ছোট ছোট দলে বিচরণ করে। মাঝে মধ্যে একাকীও দেখা যায়। শীত মৌসুমে সমতলের ঝোপ-জঙ্গলে বেশি চোখে পড়ে। লুকিয়ে-চুরিয়ে ‘চুইচ চুইচ চুউ’ সুরে ডাকাডাকি করে। মানুষ দেখলে পালিয়ে যায়। কোথাও একদণ্ড দাঁড়ানোর ধৈর্য নেই এ পাখির। রাজ্যের ব্যস্ততা নিয়ে দিন কাটায়।

উড়ন্ত অবস্থায়ই শিকার ধরে। এরা দেশের স্থায়ী বাসিন্দা। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের বিস্তৃতি। দেখতে ভীষণ সুন্দর। নজরকাড়া রূপ। মায়াবীও বটে। এদের দিকে নজর পড়লে নিমিষেই চোখ ফিরিয়ে নেওয়া যায় না।
ঘাড়ে কালো প্যাঁচ রয়েছে। গলার নিচে সরু চিলতে কালো রেখা। পুরুষ পাখির প্রধান রং লালচে নীল। তবে নীলের আধিক্য বেশি থাকায় লালচে ভাবটা খুব একটা দেখা যায় না। বুক নীল। নীলটা ফ্যাকাসে হয়ে তলপেট পর্যন্ত সাদাটে হয়ে পৌঁছেছে। চোখ কালো। ঠোঁট নীল-কালো। পা ও পায়ের আঙুল নীলচে কালো।

এদের মেয়ে-পুরুষ পাখির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। মেয়ে পাখির বর্ণ পুরুষের তুলনায় নিষ্প্রভ। তা ছাড়া গলায় কালো রেখা দেখা যায় না।

প্রজনন কাল মার্চ থেকে আগস্ট। গাছের তে-ডালায় পেয়ালা আকৃতির মজবুত বাসা বানিয়ে তিনটি ডিম পাড়ে। ফুটতে সময় লাগে ১২-১৪ দিন।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম