মাস্টারি বিডি ।
ঢাকা । ৩০ মে ২০১৮ । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪
চার দিনের সফরে সোমবার ঢাকায় এসেছেন থাইল্যান্ডের রাজকুমারী মহা চক্রী সিরিনধরন।
থাই রাজকুমারী মঙ্গলবার ঢাকায় বিএডিসি’র সেচ ভবন পরিদর্শন করেন।
সেচ ভবনের অডিটোরিয়ামে বিএডিসি’র চেয়ারম্যান পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।

পরে বাংলাদেশের পক্ষে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী রাজকুমারীকে উপহার তুলে দেন এবং রাজ কুমারীকে নিয়ে থাইল্যান্ডের একটি সবজির স্টল পরিদর্শন করেন।
থাই রাজা ভুমিবল আদুলিয়াডেজ-এর সাফিসিয়েন্সী ইকোনোমী ফিলোসোফি (এসইপি)তে দরিদ্র মানুষদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার দিক নিদের্শনার কথা রয়েছে। এই দর্শন বাস্তবায়নের পদ্ধতি হিসেবে সমন্বিত কৃষি উৎপাদনের সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বাড়ি একটি খামার কর্মসূচির সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই তত্ত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ তার প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিএডিসি’র সাথে থাই দূতাবাসের যৌথ স্বাক্ষরে একটি কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

সেই পরিকল্পনার আলোকে থাই রাজকুমারী পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১১ সালে গাজীপুরস্থ কাশিমপুরে সাফিসিয়েন্সী ইকোনোমী ফিলোসোফি নামে এই প্রকল্প নেয়া হয়। প্রথম দফায় প্রকল্পটি সফল হওয়ার পরে পুনরায় মাহা চক্রী সিরিনধরনস প্রজেক্টের আওতায় মধুপুর, টাঙ্গাইল আঞ্চলের ৫ জন কৃষককে থাইল্যাণ্ডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এরই অংশ হিসেবে থাই রাজকুমারী বাংলাদেশ সফরে আসেন।
থাই রাজকুমারী সিরিনধরন থাইল্যান্ডের সরকারের ১১ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম