মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ১০ জুলাই ২০১৭ । ২৬ আষাঢ় ১৪২৪
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় কারো কারো বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হলেও এ আইনে কোন নির্দোষ সাংবাদিক হয়রানির শিকার হবেন না।
মন্ত্রী রোববার সচিবালয়ে প্রস্তাবিত ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট (ডিএসএ) বিষয়ে আন্ত-মন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘যে সমস্ত মামলা (৫৭ ধারায়) করা হয়েছে সেসবই চূড়ান্ত কিছু নয়।’ সংবাদ বাসস-এর।
তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা অথবা কর্তৃপক্ষ প্রকৃত ঘটনা আগাগোড়া পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মামলা এগিয়ে নেয়ার মতো বিষয় পেলেই কেবল চার্জশিট দাখিল করবে।
আনিসুল হক বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি এবং আবারো বলছি, বাক-স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অথবা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোন বাধার সৃষ্টি হলে সে বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তাবৃন্দ অথবা সংস্থাগুলো খেয়াল রাখবে।’
সাম্প্রতিকালে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইসিটি এ্যাক্টের ৫৭ ধারায় কতিপয় মামলা দায়েরের কারণে গণমাধ্যমে সমালোচনার প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিকিউরিটি সার্ভিস বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয়ের এবং বিভিন্ন আইন-শৃংখলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিগণ অংশ নেন।
বৈঠকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একাধিক কর্মকর্তা জানান, এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা ৫৭ ধারার অপব্যবহারের সুযোগের বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তারা প্রায় সকলেই অভিমত দেন যে আইসিটি সুবিধা ব্যবহারের মাধ্যমে কৃত অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের একটি আইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তারা বলেন, প্রস্তাবিত ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট প্রণয়ন পর্যন্ত এই ৫৭ ধারা বহাল থাকতে পারে। নতুন আইনের খসড়া প্রণয়নকালে তারা আইসিটি আইনের প্রাসঙ্গিক বিধি-বিধানগুলো সেখানে সংযোজনের পরামর্শ দেন।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ৫৭ ধারা বলবৎ থাকা পর্যন্ত এই ধারায় কোন অপরাধ সংঘটিত হলে মামলা হবে। তবে মামলা হওয়ায় শেষ কথা নয়। চার্জশিট দাখিলের আগে তদন্ত কর্মকর্তা এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করবেন।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম