
মাস্টারি বিডি | শাহানা তৃণা
ফিচার | ঢাকা | ১২ মে ২০১৯ | ২৯ বৈশাখ ১৪২৬
নীল নীল অম্বর চুটকি পাখি দেখতে ভারী সুন্দর ! বেশিরভাগ সময়ই এরা নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকে। যেন উড়ে যাওয়ার ইচ্ছে নেই। তবে এদিক-ওদিক দূরে-কাছে তীক্ষ্ম দৃষ্টি নিক্ষেপ চলতে থাকে।
নীলের এ প্রাচুর্যই অম্বর চুটকিদের প্রকৃতিতে বিশেষত্ব দান করেছে। সহজেই চিনে নেয়া যায় পাখিটিকে।

ক্ষুদ্র হলেও তার কর্মশক্তি অতি প্রখর! বিশ্বস্ত ডানায় পাড়ি দিতে পারে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটারের উড়ন্ত পথ!
‘অম্বর-চুটকি’ পাখিটির ইংরেজি নাম Verditer Flycatcher.।
চুটকিরা অধিকাংশই পরিযায়ী পাখি। অম্বর-চুটকিও তাই। শীতে পাহাড়ে উঠে যায়, হিমালয়ের ওপরে থাকে। এমনি কি ওরা তুন্দ্রা অথবা তাইগাতেও চলে যায়।
‘অম্বর-চুটকি’ পাখিটিকে অন্য চুটকিদের তুলনায় খুব স্পষ্ট দেখা যায়। অম্বর-চুটকি খোলা জায়গাগুলোতে বসে। অন্য চুটকিগুলো গাছের ডালে ডালে লুকিয়ে বসে থাকে। শিকারি পাখি ওদের ধরে খেয়ে ফেলবে বলে তাদের এমন আত্মরক্ষা। অম্বর-চুটকি প্রকাশ্যে বসে।

‘ওরা খুব তীক্ষ্ম দৃষ্টিসম্পন্ন পাখি। অন্য চুটকিদের চেয়ে ওরা সংখ্যায় বেশি এবং ভালোভাবেই আছে আমাদের দেশে। এটিও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় যে, অম্বর-চুটকিরা যে পোকা বা পোকাগুলো খাচ্ছে, সেগুলো হয়তো কীটনাশকে কম আক্রান্ত হচ্ছে’।

অম্বর চুটকিদের শীতের শুরুতেই দেখা যায়। এরা বাংলাদেশ থেকেও দক্ষিণে চলে যায়। এখানে যে ওরা পুরো শীতটা কাটায়, তাও নয়। অনেকে আরো দক্ষিণে অর্থাৎ থাইল্যান্ড, ফিলিপাইনেও চলে যায়। আর উত্তরে ভারতের পাহাড়ি অঞ্চল বা হিমালয়, ভূটান বা নেপালেও দেখা যায় এই অম্বর-চুটকিদের। তারা বাসা করে আরণ্যক পরিবেশে।

ওরা পাহাড়ি গাছের ডালে বাসা বাঁধে। গ্রীষ্মে ওরা উত্তরের দিকে চলে যেতে থাকে। যেখানে খুব বেশি গরম নয় এবং বৃষ্টিও বেশি নয়, এমন জায়গায়।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম