মাস্টারি বিডি | শিমুল আহসান
জাতীয় | ঢাকা | ১৫ মে ২০১৯ | ০১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জননেতা ওবায়দুল কাদের আজ বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার পর দলের নেতা-কর্মীরা তাকে অভ্যর্থনা জানায়।
প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে আগে থেকেই বিমানবন্দরে জড়ো হন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এ সময় ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান তারা। তিনি ২ মাস ১১ দিন পর সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরলেন।
বুধবার বিকেল ৫ টা ৫২ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি ০৮৫ ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে গণভবনে যান।
সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তিনি গণভবনে প্রবেশ করেন।
এর আগে গত ০৩ মার্চ ভোরে ঢাকার নিজ বাসায় শ্বাসকষ্ট শুরু হলে ওবায়দুল কাদেরকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়।
এরপর ভারতের বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠীর পরামর্শে ৪ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে ২০ মার্চ ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি হয়। পরে সুস্থ হওয়ার পর গত ৫ এপ্রিল মাউন্ট এলিজাবেথ থেকে ছাড়পত্র পান ওবায়দুল কাদের। তবে ওই হাসপাতালের কাছেই ভাড়া বাসায় থেকে যান তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, ‘মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে দলীয় নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর দোয়ায় আমি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছি। আমার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মায়ের মমতা দেখিয়েছেন। সন্তানের জন্য যা যা করতে হয় তিনি তাই আমার জন্য করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। তবুও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমি অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দুই মাস ১১ দিন পর আমি সুস্থ হয়ে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছি। আমার জীবনটা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। আমি বাঁচব কি বাঁচব না, জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলাম আমি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি যখন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু পথযাত্রী ছিলাম, তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নাম ধরে ডেকেছেন। আমি তখন চোখ খুলে তাকিয়েছিলাম। জীবন হলো পানির স্রোতের মতো। আমি এই শিক্ষা গ্রহণ করেছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে যে শিক্ষা পেয়েছি, সে শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের জন্য আমৃত্যু কাজ করে যাব।’
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য বাইরে থাকার পরও দলের কেন্দ্রীয় নেতারা টিম ওয়ার্ক করেছিল। সেজন্য আমি তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম