
মাস্টারি বিডি ডটকম ।
ঢাকা । ০৩ মে ২০১৮ । ২০ বৈশাখ ১৪২৪
বেসরকারি মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের ‘বাবা জানো আমাদের একটা ময়না পাখি আছে না’ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শোবিজে কাজ শুরু করেন ছোট্ট দীঘি। এরপর কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘কাবুলিওয়ালা’ ছবিতে প্রথম অভিনয়। ‘কাবুলিওয়ালা’ ছবিতে মান্নার সঙ্গে অনবদ্য অভিনয় মুগ্ধ করে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। এই ছবি-ই দীঘিকে এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

মাত্র পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে ৩৬টি ছবিতে অভিনয় করেছেন দীঘি। এবং অধিকাংশ ছবিই ব্যবসা সফল। ২০০৬ সালে ‘কাবুলিওয়ালা’, ২০১০-এ ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’ এবং ২০১২ সালে ‘এক টাকার বউ’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন দীঘি।

মনোয়ার হোসেন ডিপজলের হাত ধরে ‘চাচ্চু’ ছবিতে অভিনয় করে দীঘি তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ২০১১ সালে দীঘির মা দোয়েল মারা যান। তার পর অনেকটা আড়ালে চলে যান তিনি। মনোযোগ দেন লেখাপড়ায়। প্রায় দুই বছরের বেশি সময় দীঘি চলচ্চিত্র থেকে দূরে রয়েছেন। আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা দেবেন দীঘি।

কিন্তু প্রযোজক পরিচালকেরা এখনই দীঘিকে নায়িকা হিসেবে পেতে উদগ্রীব। চলচ্চিত্রে আনার জন্য তার পিছনে ধর্ণা দিচ্ছেন অনেক পরিচালক-প্রযোজক। দিঘীর বাবা সুব্রত জানালেন এমনটাই।
তিনি বলেন, প্রযোজক-পরিচালকরা নাছোড়বান্দা! তারা চাচ্ছেন, এখনই দীঘি চলচ্চিত্রে আসুক। তাকে নিয়ে নতুন করে ছবি বানাতে চায় অনেকেই। একজন পরিচালক ও প্রযোজক মিলে আমাকে ধরেছে, দুই বছর অপেক্ষা করবেন, কিন্তু আগেই চুক্তিপত্রে দীঘিকে দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে রাখতে চাচ্ছেন।

জানা গেছে, দীঘি এখন স্টামফোর্ড স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ছে। আগামী বছর মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় অংশ নেবে। তার আগে কোনো কাজ করছে না।
বাবা সুব্রত বলেন, দীঘির ইচ্ছে আছে সে সিনেমায় অভিনয় করবে। বিজ্ঞাপনচিত্রেও কাজ করতে চায় সে। তবে তা আরো দু’বছর পর। একবছর পর ওর এসএসসি পরীক্ষা। তারপর আরো একবছর দীঘি অভিনয়ের প্রস্তুতি নেবে। এরপর পুরোদমে কাজ শুরু করবে।

দিঘীর বাবা এও বলেন, ওর মায়ের স্বপ্ন ছিল ডাক্তার বানাবে দীঘিকে। আমারও ইচ্ছে সেটাই। সেই স্বপ্ন যেন পূরণ হয়। কিন্তু অভিনয়ের জন্য এমন সব জায়গা থেকে ফোন আসছে যাদের সরাসরি না বলতে পারি না। কৌশলে না বলতে হচ্ছে।
সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ অনলাইন
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম