
মাস্টারি বিডি | বাঁধন খান
ফিচার | ঢাকা | ২০ মে ২০১৯ | ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
খরগোশ বা শশক স্তন্যপায়ী প্রাণী। এই প্রাণীর সবাই প্রধানত তৃণভূমি এলাকার বাসিন্দা।
প্রায় সবাই তৃণভূমি এলাকায় বসবাস করে থাকে। তীব্র ঠাণ্ডা এলাকা থেকে অতি উষ্ণ এলাকা পর্যন্ত সর্বত্রই এদের বিস্তৃতি রয়েছে। অবশ্য কেবল মাত্র কুমেরু অঞ্চলে এদের দেখা যায় না।

অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং আরও কয়েকটি দেশে এরা স্থানীয় বাসিন্দা নয়। মানুষের মাধ্যমে যে দেশে এদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে এবং সেখানে এরা ক্ষতিকর প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। পূর্ব গোলার্ধে এদের প্রজাতি সংখ্যা ২৮, পশ্চিম গোলার্ধে ২৪।

খরগোশদের লেজ খাটো, কান লম্বা এবং পিছনের পা লম্বাটে। খরগোশ পালনে কিন্তু বেশ সুবিধা রয়েছে। নিচে খরগোশ পালনের সুবিধাসমূহ তুলে ধরা হলো:
খরগোশ দ্রুত বর্ধনশীল প্রাণি। বাচ্চা দেয়ার হার অত্যধিক, একসাথে ২ থেকে ৮টি বাচ্চা প্রসব করে। প্রজনন ক্ষমতা অধিক এবং একমাস পর পর বাচ্চা প্রদান করে। খাদ্য দক্ষতা অপেক্ষাকৃত ভাল। মাংস উৎপাদনে পোল্ট্রির পরেই খরগোশের অবস্থান।

অল্প জায়গায় স্বল্প খাদ্যে পারিবারিক পর্যায়ে পালন করা যায়। অল্প খরচে অধিক উৎপাদন সম্ভব। খরগোশের মাংস অধিক পুষ্টিমান সম্পন্ন ও উন্নতমানের।

সব ধর্মের লোকই ইহার মাংস খেতে পারে তাতে কোন সামাজিক বাধা নেই। রান্না ঘরের উচ্ছিষ্টাংশ, বাড়ির পাশের ঘাস এবং লতা পাতা খেয়ে ইহার উৎপাদন সম্ভব। পারিবারিক শ্রমের সফল ব্যবহার করা সম্ভব।

বিলাসবহুল হোটেল, রেস্তোরা এবং বড় বড় ভোজসভায় এদের মাংসের যথেষ্ট সমাদর আছে।

মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম