মাস্টারি বিডি ।
ঢাকা । ২১ জুন ২০১৮ । ০৭ আষাঢ় ১৪২৫
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণের ৭৪তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের ২১ জুন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা থানার কাশবন গ্রামে তার জন্ম। কবি নির্মলেন্দু গুণ কবিতার পাশাপাশি লিখেছেন গল্প এবং ভ্রমণসাহিত্য। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম হল- ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’, ‘কবিতা, অমীমাংসিত রমণী’, ‘না প্রেমিক না বিপ্লবী’, ‘দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী’, ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’, ‘তার আগে চাই সমাজতন্ত্র’, ‘দূর হ দুঃশাসন’, ‘চিরকালের বাঁশি’, ‘চৈত্রের ভালোবাসা’, ‘দুঃখ করো না, বাঁচো’, ‘চাষাভুষার কাব্য’, ‘আনন্দ উদ্যান’, ‘যখন আমি বুকের পাঁজর খুলে দাঁড়াই’, ‘পঞ্চাশ সহস্র বর্ষ’, ‘প্রিয় নারী হারানো কবিতা’, ‘শিয়রে বাংলাদেশ’, ‘ইয়াহিয়াকাল’, ‘আমি সময়কে জন্মাতে দেখেছি’, ‘বাৎস্যায়ন’, ‘রক্ষা করো ভৈরব’ ইত্যাদি। ‘আপন দলের মানুষ’ শিরোনামে রয়েছে তার একটি গল্পগ্রন্থ। এ ছাড়া লিখেছেন ‘সোনার কুঠার’ নামের একটি ছড়াগ্রন্থ। ‘আমার ছেলেবেলা’, ‘আমার কণ্ঠস্বর’ ও ‘আত্মকথা ৭১’ শিরোনামে রয়েছে তিনটি আত্মজৈবনিক গ্রন্থ। মূলত, কবি হিসেবে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, নর-নারীর প্রেম-বিরহ, প্রকৃতি ইত্যাদি নানা বিষয়কে উপজীব্য করে কবি নির্মলেন্দু গুণ বহু সার্থক কবিতা রচনা করেছেন। রাজনৈতিক ও গণমানুষের কবিতা রচনা করেও তিনি তাঁর দ্রোহকে চমৎকারভাবে প্রকাশ করতে সমর্থ হয়েছেন। তাঁর কবিতায় শ্রেণি-সংগ্রাম এবং স্বৈরাচার বিরোধিতাও প্রকাশ পেয়েছে।
কর্মজীবনের শুরুতে তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য নির্মলেন্দু গুণ পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কার। তার মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ২০১১ সালে একুশে পদক, ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম