‘সর্বজনের কাছে তিনি বিশাল এক মানুষ’।
স্যার বিদ্যাধর সূর্যপ্রসাদ নাইপল ইংল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পেয়ে ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করেছেন। তবে তিনি তার জীবনের অধিকাংশ সময় ভ্রমণে অতিবাহিত করেছেন।….

মাস্টারি বিডি
আন্তর্জাতিক । ১২ আগস্ট ২০১৮ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৫
নোবেল জয়ী সাহিত্যিক ভি এস নাইপল আর নেই। তিনি শনিবার ইংল্যান্ডে মারা যান। ৮৫ বছর আয়ু পার করে তাঁর জীবনাবসান ঘটলো। সৃজনশীলতা, উদ্যম আর জীবনে যা কিছু নিয়ে থাকতে ভালোবাসতেন তিনি- শেষদিন পর্যন্ত সেসব নিয়েই জীবনযাপন করেছেন। পর্যন্ত তার লেখায় ঔপনিবেশকাল পরবর্তী পরিবর্তন সম্পর্কে গভীর মতামত উঠে এসেছে।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত নোবেলজয়ী ব্রিটিশ লেখক ভি এস নাইপলের জন্ম তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশ ত্রিনিদাদে ১৯৩২ সালের ১৭ আগস্ট। তার পিতা ছিলেন একজন ব্রিটিশ ভারতীয় রাজ কর্মচারি।
ভি এস নাইপলের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম হলো, ‘এ হাউজ ফর মিস্টার বিশ্বাস’, ‘এ বেন্ড ইন দ্য রিভার’, ‘অ্যামং দ্য বিলিভার্স’, ‘দি অ্যানিগমা অব অ্যারাইভাল’ এবং হিজ ম্যান বুকার পুরস্কার জয়ী বই ‘ইন এ ফ্রি স্টেট’। আলোচিত এই লেখক ৩০টিরও বেশি বই লিখেছেন।

নাইপলের স্ত্রী লেডি নাদিরা নাইপল শনিবার এক বার্তায় তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়ে বলেন, নাইপল যাদের ভালোবাসতেন, যাদের সঙ্গে পার করেছেন সৃজনশীল ও উদ্যমী একটি জীবন, তাদের সান্নিধ্যেই তাঁর শেষ জীবন কেটেছে।
তিনি এসময় নাইপল সম্পর্কে বলেন, ‘সর্বজনের কাছে তিনি বিশাল এক মানুষ’।
স্যার বিদ্যাধর সূর্যপ্রসাদ নাইপল ইংল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পেয়ে ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করেছেন। তবে তিনি তার জীবনের অধিকাংশ সময় ভ্রমণে অতিবাহিত করেছেন।

২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব ‘ঢাকা লিটারেরি ফেস্টিভ্যাল’-এ অংশ নিতে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিশ্বখ্যাত এই লেখক।
তিনি ব্রিটিশ সংস্কৃতির স্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও তিনি আধুনিক শিকড়হীন জীবনের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।

নাইপল ২০০১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। ১৯৭১ সালে পান বুকার পুরস্কার। নোবেল কমিটির প্রশংসাপত্রে নাইপলকে বর্ণনা করা হয় জোসেফ কনরাডের উত্তরসূরি হিসেবে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম