Home / এই দিন / বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনারবাংলা হিসেবেই বাংলাদেশকে গড়ে তোলা হবে : শেখ হাসিনা
10uddanmbd-2

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনারবাংলা হিসেবেই বাংলাদেশকে গড়ে তোলা হবে : শেখ হাসিনা

মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ১১ জানুয়ারি ২০১৭ । ২৮ পৌষ ১৪২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃণমূলের জনগণকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় একথা বলেন। সংবাদ বাসস-এর।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা আমাদের স্বাধীন দেশ দিয়ে গেছেন। আমাদের লক্ষ্য এই বাংলাদেশকে আমরা একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। ২০২১ সালে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী আমরা পালন করবো। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্যমুক্ত দেশ।’

pmsheikhasinambd

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি গ্রামই এক একটি নগর হিসেবে গড়ে উঠবে। গ্রামের মানুষও উন্নত জীবন পাবে- সেটা আমরা নিশ্চিত করবো। সমগ্র বাংলাদেশই হবে উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালের সেই ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু যে ভাষণ দিয়েছিলেন সেই ভাষণের মধ্যদিয়ে একটি স্বাধীন দেশ কিভাবে পরিচালিত হবে, কোন আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ চলবে, কী কী লক্ষ্য বাস্তবায়ন করবে- সেই দিকনির্দেশনাই ছিল।

জাতির পিতার সেদিনের বক্তব্যকে উদ্বৃত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি বলেছিলেন, আমার দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারি হবে- এই হচ্ছে আমার স্বপ্ন।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু সেদিন থেকেই একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলায় আত্মনিবেদন করেন।

সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলায় ২০২১ এর লক্ষ্য অর্জনে এ মুহূর্তে করণীয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে দারিদ্রের হার আমরা কমাবো, সাক্ষরতার হার বাড়াবো, প্রতিটি ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া শিখবে, দেশের মানুষ খাদ্য নিরাপত্তা পাবে, পুষ্টি পাবে। পুরো দেশ ডিজিটাল হবে। দেশের সব স্কুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম হবে, স্কুল-কলেজসহ পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবকিছু আমরা ডিজিটাল করে দেব।

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে জাতির পিতা ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও সম্ভ্রমহারা মা-বোনসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘আজকের দিনে আমাদের প্রতিজ্ঞা- জাতির পিতা আমাদের যে দেশ দিয়ে গেছেন, সেই দেশকে তাঁর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে আমরা গড়ে তুলবো, ইনশাল্লাহ ।’

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তর ও দক্ষিণের দুই মেয়র আনিসুল হক এবং সাঈদ খোকন বক্তৃতা করেন।

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির পুনরোল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশে কোন জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদের স্থান হবে না। এ জন্য আমরা এদেশের সকল শ্রেনী পেশার মানুষ, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক এবং মসজিদের ইমামসহ সবার কাছে আহবান জানাই- সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এই পথে যেন আর কেউ না যায় সেজন্য মানুষকে বোঝাতে হবে এবং সবাইকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী ইসলামকে শান্তির ধর্ম উল্লেখ করে ইসলামের অপব্যাখ্যাকারীদের উদ্দেশে বলেন, ইসলামে মানুষ হত্যা ও আত্মহত্যা মহাপাপ। মানুষ হত্যাকারি জান্নাতে নয়, জাহান্নামে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘যে মানুষ হত্যা করে এবং যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানায়, যাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে ফাঁসি হয় তাদের হাতে এদেশের গণতন্ত্র আর তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না।’

তিনি বলেন, তারা সন্ত্রাসী এবং জঙ্গি। জঙ্গিদেরকেও তারা উস্কে দিচ্ছে। বাংলার জনগণই একদিন এদের বিচার করবে গণআদালতেই একদিন এদের বিচার হবে।

প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জামায়াত সরকার পতনের আন্দোলনের নামে আগুনে পুড়িয়ে সাধারণ মানুষ ও ২৩ জন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী সদস্য ও গোয়েন্দা এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ সারাদেশে ২৩১ জন হত্যা, ৩ হাজার ৩৩৬ জনকে আগুনে পুড়িয়ে আহত করা, রেলগাড়ি, লঞ্চ ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের তীব্র সমালোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী দেশে স্থিতিশীলতা বিরাজমান থাকার প্রসংগ উল্লেখ করে বলেন, আজ দেশের মানুষ শান্তিতে আছে, স্বস্তিতে আছে। আজ দেশের মানুষ সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখে। তবে, দেশের মানুষ যখন ভালো থাকে তার (খালেদা জিয়া) মনে তখন অন্তর্জ্বালার সৃষ্টি হয়। এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্য।

স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আন্দোলন-সংগ্রামের প্রসংগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২৫ মার্চ রাতে স্বাধীনতার ঘোষণার পরে জাতির পিতাকে যেভাবে গ্রেপ্তার করা হয় সেভাবে আমার মা এবং আমাদেরকেও গ্রেপ্তার করে ধানমন্ডির ১৮ নম্বর রোডের একটি বাড়িতে আটকে রাখা হয়। দেশ ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলেও আমরা মুক্তি পাই ১৭ ডিসেম্বর। সেই থেকে অপেক্ষার পালা। সেই অপেক্ষার শেষ হয় ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি।

বঙ্গবন্ধু আদৌ বেঁচে আছেন কিনা তা তাঁর পরিবার জানতো না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েই জাতির পিতা ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক এই সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে এসেই জনতার মধ্যে দাঁড়ালেন। আমরা সবাই অপেক্ষা করে থাকলেও তিনি আগে আমাদের কাছে গেলেন না। বাংলার অবিসংবাদিত নেতা ফিরে আসলেন তাঁর বাংলার মানুষের কাছে। সেদিন মানুষ ফিরে পেয়েছিল তাঁদের নেতাকে। আমরা ফিরে পেয়েছিলাম আমাদের বাবাকে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলেই তিনি যখন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলছিলেন তখনই দেশে প্রথমবারের মত ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল। দেশের মানুষ নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন শুরু করেছিলেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের একটা আকাঙ্ক্ষা মানুষের মনে জাগ্রত হতে শুরু করেছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে যখন উন্নয়নের পথে যাত্রা শুরু করেন তখনই দুভার্গ্যক্রমে ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট তাঁকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমেই এদেশে হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয়। শুরু হয় সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পালা।

শেখ হাসিনা বলেন, মহান মুৃক্তিযুদ্ধে যারা ঐ হানাদার বাহিনীর দোসর ছিল, যারা আমার মা-বোনকে ঐ পাকিস্তানী হানাদারদের হাতে তুলে দিয়েছিল, যারা গণহত্যা চালিয়েছিল, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করেছিল, গ্রামের পথ দেখিয়ে সেসব দেশীয় কুলাঙ্গার হানাদারদের বাড়ি বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল- সে সমস্ত যুদ্ধাপরাধী যাদের বিচারও জাতির পিতা শুরু করেছিলেন অথচ জেনারেল জিয়া সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখল করে সেসব যুদ্ধাপরাধীদের মুক্ত করে দেন। আর দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দেয়া হয়। একের পর এক ষড়যন্ত্র ও ক্যু হতে থাকে। ১৯টি ক্যু হয়েছিল সে সময়। সারারাত করফিউ, জিয়াউর রহমান কার্ফ্যু দিয়ে দেশ চালাতো। তখন প্রতিরাতেই ১১ টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত কার্ফ্যু ছিল। সাধারণ মানুষের চলার বা বলারই কোন সুযোগ ছিল না।

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে কলুষিত করার জন্য সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অভিযুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জিয়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদের বিপথে পরিচালিত করে, তাদেরকে নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করে, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস চরিতার্থ করার চেষ্টা করে।

তিনি বলেন, একদিকে জিয়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালায়, আরেকদিকে আমাদের আওয়ামী লীগের শত শত নেতা-কর্মীকে অত্যাচার-নির্যাতন ও হত্যা করে এবং অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাদেরকে বিপথে পরিচালিত করে। এইভাবেই সে (জিয়াউর রহমান) সমস্ত কিছু ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫-এর পর যারাই ক্ষমতায় এসেছে তাদের সকলেই নিজেদের আখের গুছিয়েছে। তারা বাংলাদেশকে কোনদিনও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দিতে চায় নাই। তাদের লক্ষ্যই ছিল নিজেদের বিত্তবৈভব তৈরি করা। কারণ, তারা বাংলাদেশে বাস করলেও তাদের মন পড়ে ছিল ঐ পাকিস্তানে।

তিনি বলেন, ফলে, এদেশের মানুষ দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর হয়েছে। না স্বাস্থ্যসেবা, না শিক্ষা-দীক্ষা, না দেশের উন্নতি, না মাথা গোঁজার ঠাঁই- কিছুই এদের ছিল না। তারা চরমভাবে নিষ্পেষিত-বঞ্চিত হয়েছে। অথচ কি স্বপ্ন নিয়েই না জাতির পিতা এদেশকে স্বাধীন করেছিলেন।

জাতির পিতা কখনও নিজের কথা ভাবেননি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বরং বাংলার মানুষের অধিকার আদায়েই জাতির পিতা বারবার জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো অভিযোগ করেন, সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান একাত্তরের পরাজিত শক্তি রাজাকার-আলবদরদের অনেককেই মন্ত্রী-উপদেষ্টা বানান, তাদেরকে এদেশীয় পাসপোর্ট দেন। যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল, দেশ স্বাধীন হবার পরও যাদের কেউ কেউ জাতিসংঘে গিয়ে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয়ার দাবি তুলেছিল তাদের এদেশে পুনর্বাসিত করেন। দেশে রাজনীতি করার তাদের (যুদ্ধাপরাধীদের) কোন অধিকার ছিল না সেটাও জিয়াউর রহমানই তাদের দিয়ে দেয়।

জাতির পিতা বেঁচে থাকলে দেশ আরো ২৫-৩০ বছর আগেই উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো বলেও এসময় প্রধানমন্ত্রী দ্ব্যার্থহীন কন্ঠে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যেভাবে দেশের স্বাধীনতা এনেছিলেন সেভাবেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিও তিনি করতে পারতেন। যা তাঁকে করতে দেয়া হয় নাই।

এ সময় পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলোর দেশের মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির ষড়যন্ত্রেরও নিন্দা করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলার মানুষ কখনও কোন অন্যায়কে মেনে নেয় নাই। যে কারণেই ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ গণমানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পুনরায় সরকার গঠন করে এবং তারপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, জতির পিতার স্বপ্ন ছিল এদেশের প্রতিটি মানুষ অন্ন পাবে- আমরা আল্লাহর রহমতে প্রতিটি মানুষের মুখে সেই অন্ন তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি। আজকে ক্ষুধার জ্বালায় আর কেউ কাতর হয় না। যারা দরিদ্র তাদেরকে আমরা বিনা পয়সায় খাবার দিচ্ছি। আশ্রয়হীনকে আশ্রয় দিচ্ছি, বেকারদের বিনা জামানতে ঋণ দিচ্ছি, বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচির মাধ্যমে স্বনির্ভর হয়ে গড়ে ওঠার এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নানা কর্মসংস্থানের বন্দোবস্তো করেছি।

এ সময় তাঁর সরকারের শাসনামলে দেশের আর্থসামাজিক, অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও শিল্পসহ বৈদ্যুতিক খাত উন্নয়নের নানা পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

11 4 2026 33

২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ১৪ হাজার

ঢাকা, শনিবার ১১ এপ্রিল ২০২৬মাসস দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৬ দিনে হাম ও …

Leave a Reply

Your email address will not be published.