Home / অপরাধ / বকেয়ার দাবিতে সিটিসেল কর্মীদের সংবাদ সম্মেলন
citicel+officer+meet+press+mbd

বকেয়ার দাবিতে সিটিসেল কর্মীদের সংবাদ সম্মেলন

মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ১০ মে ২০১৭ । ২৭ বৈশাখ ১৪২৪

বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না করলে মামলার হুমকি দিয়েছে সিটিসেলের কর্মীরা। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে কর্মীরা অপারেটরটিকে পাওনা দ্রুত পরিশোধের আহবান জানায়।
৮ মাসের বকেয়া আদায়ে এর আগে কর্মীরা ১৩টি লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে কর্মীরা জানান, বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কোনো ফল না পেয়ে শেষে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। গত বুধবার ১৩টি নোটিশ গেছে। এতে ১৫ দিনের সময় দেয়া হয়েছে। এবার সংবাদ সম্মেলনে পরিস্থিতি সবাইকে জানানো হল। নির্ধারিত সময়ে পাওনা পরিশোধ না করলে মামলা করা হবে।
কর্মীদের মুখপাত্র হিসেবে টিপু সুলতান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কর্মীদের বেতন হতে ট্যাক্সের টাকা কেটে নিলেও কর্তৃপক্ষ ট্যাক্স চালান দেয়নি। বরং ট্যাক্স প্রদানে তারা বাধা দিয়েছে। এছাড়া প্রফিডেন্ট ফান্ডের টাকা কেটে নেয়া হলেও তা জমা না করে ব্যয় করে ফেলা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজার রুহুল কুদ্দুস, মোসাদ্দেক মিলন, জিএম মু হাসান মাহমুদ আলিসহ অপারেটরটির বিভিন্ন পদের কর্মকর্তারা।
কর্মীরা সিটিসেল ডিরেক্টর মোর্শেদ খান, নাসরিন খান, আসগর করিম, সিইও মেহবুব চৌধুরী, সিএফও তারিকুল হাসান, সিটিও মাহফুজুর রহমান, প্রফিডেন্ট ফান্ড ট্রাস্টির সদস্য নিশাত আলী খান, এ.বি সরকার বরাবরে লিগ্যাল নোটিশ পাঠায়।
২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর সিঙ্গাপুর হতে এক স্কাইপে কলে কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী প্যাসেফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের আশ্বাস দেন সিটিসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল মোর্শেদ।
ওই আলোচনায় ফয়সাল মোর্শেদ কর্মীদের ২০১৬ সালের নভেম্বরের পরে কোনো দায়-দায়িত্ব না নেয়ার কথা জানিয়ে দেন। আর এরপরই ডিসেম্বরের শুরু হতে ২০১৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এক মাসের ব্যবধানে অপারেটরটির স্থায়ী অস্থায়ী মিলে ৩ শতাধিক কর্মী চাকরি ছেড়ে যান। পরবর্তীতে অধিকাংশ কর্মীই চাকরি ছেড়ে দেন।
ওই বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে প্রথম দফায় বকেয়া ২ মাসের বেতন পান সিটিসেলের অনেক স্থায়ী কর্মী। আর ডিসেম্বরের ২২ তারিখ সময়ে অনেকে পান বাকী ৩ মাসের বকেয়া বেতন, দুই ঈদের বোনাস, রিক্রিয়েশন লিভের ভাতাসহ বিভিন্ন পাওনা।
সেই সময় অপারেটরটির পিয়ন, ড্রাইভার, অফিসার, সিনিয়র অফিসার, এক্সিটিউভ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ এবং ডেপুটি ম্যানেজার পদের কর্মী মিলে প্রায় ২০০ জন আলোচনা অনুযায়ী বকেয়া পেয়েছেন। যদিও দুই বছরের (২০১৫-১৬) প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ কাউকেই দেয়া হয়নি।
অন্যদিকে ডেপুটি ম্যানেজার পদের কয়েকজনসহ ম্যানেজার, ডিজিএম, জিএম হতে উর্ধ্বতন পদগুলোর কর্মকর্তাদের বকেয়া পরিশোধ করা হয়নি। এই সংখ্যা ৬০ জনের বেশি। এদের মধ্যে এখনও ৪০ জন কর্মী চাকরিতে রয়েছেন।
এছাড়া অস্থায়ী আউটসোর্স করা কর্মীদের মধ্যে ই-জোনের ৭০ জন পাওনা পরিশোধের শর্তে চাকরি ছেড়েছিলেন। তখন সিটিসেলের সঙ্গে ই-জোনের চুক্তির মেয়ার শেষ হবার এক মাস আগেই এসব কর্মীদের বিদায় দেয়া হয়।
এই কর্মীদের ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ২টি স্যালারি এবং ২৯ জানুয়ারিতে ৩ মাসের স্যালারিসহ রিক্রিয়েশন লিভ ও একটি ঈদ বোনাস দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও তারা তা পাননি।

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

12 7 2026 4

বন্যায় ৭ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ, নিহত ৫১

রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ | মাসস দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.