মাস্টারি বিডি । শারমিন সোমা
ফিচার । ঢাকা । ০৯ এপ্রিল ২০১৯ । ২৬ চৈত্র ১৪২৫
নজরকাড়া রূপের পাখি নীল শুমচা। গানও গাইতে পারে। বৈজ্ঞানিক নাম: Pitta cyanea.। ইংরেজি নাম: ‘ব্লু পিট্টা’ Blue Pitta বা আসমানি সুমচা Pittidae পিট্টিডি গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Hydrornis (হাইড্রর্নিস) গণের এক প্রজাতির ছোট রঙচঙে বনচর পাখি। নীল শুমচার বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ নীল শুমচা। তেলেগু ভাষায় pitta অর্থ আদুরে; ল্যাটিন: cyanea অর্থ নীল।

নীল শুমচার মূল আবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, চীন, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম জুড়ে এদের বিস্তৃতি।
নীল শুমচা ডোরাকাটা পেট ও ঘন নীল পিঠওয়ালা ছোট বনচর পাখি।

নীল শুমচা চিরসবুজ বনতলে ঘন গুল্ম, বাঁশঝাড় ও বনের খাদে বিচরণ করে। সচরাচর একা বা জোড়ায় জোড়ায় থাকে। ভোরে আর গোধূলিতে এরা বেশি কর্মচঞ্চল থাকে। এরা খুব ছটফটে পাখি। ওড়াওড়ির চেয়ে লাফায় বেশি। মাটিতে লাফানোর সময় তীক্ষ্ণ কণ্ঠে শিস দিয়ে ডাকে: পিউ-হুয়িট… পিউ-হুয়িট…।

সাধারণত মে থেকে জুলাই নীল শুমচার প্রধান প্রজনন ঋতু। এসময় এরা ঘন চিরসবুজ বনে এরা বাসা বানায়। মাটিতে অথবা ফার্নে ঢাকা গাছের কাণ্ডে এরা ঢিলেঢালা বলের মত বাসা বানায়। বাসার মূল উপাদান বাঁশপাতা, ঘাস বা মূল। বাসা বানানো হয়ে গেলে ৪-৬টি সাদা রঙের ডিম পাড়ে। ডিম ফুটতে সময় লাগে ১৪-১৬ দিন। শাবক উড়তে পারে ২০-২৫ দিনে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম