মাস্টারি বিডি | শান্তা ইসলাম
আবহাওয়া | ৮ নভেম্বর ২০১৯ | ২৪ কার্তিক ১৪২৬

এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে ভারত ও বাংলাদেশে তাণ্ডব চালায় ঘূর্ণিঝড় ফণী। সরকার ও উপকূলীয় অঞ্চলবাসী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতি করতে পারেনি ফণী। বছরের এ যাবৎ সবচেয়ে বেশি আলোচিত ঘূর্ণিঝড় ফণীর নাম দিয়েছিল বাংলাদেশ।বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়ের নামটি দিয়েছে পাকিস্তান।
১৯৪৫ সাল থেকে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে শুরু হয় সাইক্লোন-টাইফুন ও হারিকেন তথা ঘূর্ণিঝড়ের আনুষ্ঠানিক নামকরণ।একসময় ঝড়গুলোকে নানা নম্বর দিয়ে শনাক্ত করা হতো। কিন্তু সেসব নম্বর সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য হতো। ফলে সেগুলোর পূর্বাভাস দেয়া, মানুষ বা নৌযানগুলোকে সতর্ক করাও কঠিন মনে হতো।এ কারণে ২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলোয় ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। সে সময় আটটি দেশ মিলে ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। সেসব ঝড়ের নামের মধ্যে এখন বুলবুল ঝড়কে বাদ দিলে আর ৫টি নাম অবশিষ্ট আছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। উদাহরণস্বরূপ ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ওমান, এই সংস্থার আট দেশ।একসময় ঝড়ের নাম হিসেবে নারীদের নামকে প্রাধান্য দেয়া হলেও পরবর্তীতে আবারও পুরুষের নাম সংযোজিত হতে থাকে। বর্তমানে বস্তু বা অন্য বিষয়ের নাম অবস্থাভেদে টেনে আনা হয়েছে। যেমন- সিডর, মেঘ, বায়ু, সাগর ইত্যাদি।উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সব ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দেয়া নামগুলো হলো- অনিল, অগ্নি, নিশা, গিরি, হেলেন, চপলা, অক্ষি, ফণী।
বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর নামকরণ কী ধারণায় করা হয়েছে তা স্পষ্টত নয়!

তথ্যসূত্র : দৈনিক যুগান্তর
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম