…শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে জ্ঞান-বিজ্ঞানের কোনো জুড়ি নেই। সৃষ্টির শুরু থেকে সমসাময়িক কাল পর্যন্ত, অব্যাহত থাকবে ভবিষ্যতেও। শিক্ষার অন্যতম প্রধান অঙ্গ হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞান, সভ্যতা-সংস্কৃতি ও শিল্প-সাহিত্যচর্চা বিবেচিত সর্বকালজুড়ে। মনের দিক দিয়ে বড় হতে হলে শিক্ষা ও সংস্কৃতির নিয়মিত চর্চা দরকার। আর মনের দিক থেকে উদারতা না থাকলে জাতি জ্ঞানেও ছোট রয়ে যায়। একটি মানসম্মত বই জাতির সুস্থ মানসিকতা ও কল্যাণকর মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করে হাজার গুণ।
মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ২১ মাঘ ১৪২৩
রেনেসাঁসের কণ্ঠ এখনো কানে ভাসে, ‘আজ যে শিশু/পৃথিবীর আলোয় এসেছে/ আমরা তার তরে একটি সাজানো বাগান চাই…।’ পৃথিবীর নির্মল আলোয় আসা শিশুদের মাঝে লুকায়িত থাকে আগামীর স্বপ্ন, আগামীর সোনালি স্বপ্নিল ভবিষ্যৎ। শিক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয় সে ভবিষ্যৎ। বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়ায়। একটি ভালো বই ঘুমন্ত বিবেক জাগিয়ে তোলে। ভালো লেখকের মানসম্মত বই-ই পারে মানুষের জীবনকে বদলে দিতে। বই-ই পারে মানুষকে শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে গড়ে তুলতে। ভালো মানের বই যতই পড়া যাবে বিচিত্র জ্ঞানের ভাণ্ডার ততই বৃদ্ধি পাবে। শিশুদের ক্ষেত্রে ভালো বইয়ের প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি। শিশুরা ছোটবেলায় কচি মস্তিষ্ক দ্বারা যা পড়বে, তাই তাদের মেধা গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে, স্মৃতিতে সজীব হয়ে থাকবে। এ কারণে শিশুদের সময়োপযোগী, শুদ্ধ ও মানসম্মত বইয়ে জ্ঞান অর্জনের অভ্যাস করানো উচিত।
শিশুদের প্রারম্ভিক পরিবেশ মানসম্মত করার প্রয়োজনীয়তা বর্তমান সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে গত কয়েক বছরে শিক্ষকদের জন্য নানা সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার সুষ্ঠু ও মানসম্মত পরিবেশ তৈরিতে সময়োপযোগী বহুরৈখিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন, সুযোগ-সুবিধা ও মর্যাদা বৃদ্ধি করা, যুগোপযোগী শিক্ষা প্রদানের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম প্রবর্তনের চেষ্টা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অজ্ঞতা থেকে বের করে শিশুদের আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার লক্ষ্যে এসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপকে বিতর্কিত করেছেন কিছু ‘দায়িত্বশীল’ কর্মকর্তা।
শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে জ্ঞান-বিজ্ঞানের কোনো জুড়ি নেই। সৃষ্টির শুরু থেকে সমসাময়িক কাল পর্যন্ত, অব্যাহত থাকবে ভবিষ্যতেও। শিক্ষার অন্যতম প্রধান অঙ্গ হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞান, সভ্যতা-সংস্কৃতি ও শিল্প-সাহিত্যচর্চা বিবেচিত সর্বকালজুড়ে। মনের দিক দিয়ে বড় হতে হলে শিক্ষা ও সংস্কৃতির নিয়মিত চর্চা দরকার। আর মনের দিক থেকে উদারতা না থাকলে জাতি জ্ঞানেও ছোট রয়ে যায়। একটি মানসম্মত বই জাতির সুস্থ মানসিকতা ও কল্যাণকর মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করে হাজার গুণ। ভালো বইয়ের ভূমিকা কখনো কখনো শিক্ষকের বিকল্প হিসেবেও কাজ করে। ভালো বই ছাত্রছাত্রীদের মনে জ্ঞানের কৌত‚হল সৃষ্টি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক প্রজ্ঞাকে সদাজাগ্রত মনোভাব তৈরি করে। পাঠকের আত্মাকে উদ্বোধিত করে জ্ঞানপিপাসায় উদ্যমী করতে পারেন; একে নিবৃত্ত করতে হলে পাঠাভ্যাসের বিকল্প নেই।
এখন কথা হচ্ছে, আমরা কী পড়াচ্ছি, আমাদের শিশুরা কী পড়ছে? গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় পাঠ্যবইয়ের মান প্রসঙ্গ। গণমাধ্যমের খবর, সম্পাদকীয়, সোশ্যাল মিডিয়া, টিভি টকশোর পাশাপাশি এ আলোচনা বাসে, চায়ের দোকানে, সাধারণ মানুষের মুখে। বছরের প্রথমদিনেই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিলি করা নতুন পাঠ্যপুস্তকে রয়ে গেছে যাচ্ছে তাই ভুল, অপ্রাসঙ্গিক নানা বিষয়। ঝকঝকে মলাটে মোড়া নতুন পাঠ্যবই দেশজুড়ে বিতরণ করে প্রশংসা কুড়ালেও ভুলেভরা আর মৌলবাদীদের দাবি অনুসারে পাঠ্যক্রম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে সর্বত্র। সাধারণ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক থেকে শুরু করে পাঠ্যবই কেলেঙ্কারিতে উদ্বিগ্ন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা। শিক্ষাঙ্গন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সর্বত্রই বইছে সমালোচনার ঝড়।
গণমাধ্যমের এখন নিয়মিত সংবাদের একটি পাঠ্যবইয়ের মান প্রসঙ্গ। এ প্রসঙ্গের সংবাদে বলা হয়েছে, প্রথম শ্রেণির বাংলা বইয়ে বর্ণ পরিচয়ে ‘ও’-তে ‘ওড়না চাই’ বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। জেন্ডারের বিষয়টি এখানে লঙ্ঘিত হয়েছে। একজন ছাত্র কেন ওড়না চাইবে। তাছাড়া, ওড়না কেন প্রয়োজন, একজন শিক্ষার্থী জানতে চাইলে শিক্ষক এর কী উত্তর দেবেন এমন প্রশ্ন উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বানান ভুল নিয়েও কথা উঠেছে। পঞ্চম শ্রেণির বইয়ে ‘ঘোষণা’ বানান ‘ঘোষনা’, ‘সমুদ্র’ বানান ‘সমুদ’ লেখা হয়েছে। তৃতীয় শ্রেণির হিন্দু ধর্ম শিক্ষা বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় ইংরেজি নীতিবাক্য লেখা হয়েছে ভুল বানানে। কাউকে কষ্ট দিও না -এর ইংরেজি লেখা হয়েছে, উঙ ঘঙঞ ঐঊঅজঞ অঘণইঙউণ. প্রথম শ্রেণির বাংলা বইয়ে ছবি দিয়ে দেখানো হয়েছে- ‘ছাগল নাকি গাছে উঠে আম খায়’। তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে কুসুমকুমারী দাশের ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতায় ‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে’ পঙক্তির বদলে লেখা হয়েছে ‘আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে’। কবিতার চতুর্থ লাইনে ‘মানুষ হইতে হবে- এই তার পণ’-এর ‘হইতে’ শব্দটিকে পাল্টে লেখা হয়েছে ‘হতেই’। নবম লাইনে ‘সে ছেলে কে চায় বল কথায়-কথায়’-এর ‘চায়’ শব্দটির বদলে লেখা হয়েছে ‘চাই’। পঞ্চদশ লাইনে ‘মনে প্রাণে খাট সবে শক্তি কর দান’-এর ‘খাট’-এর বদলে লেখা হয়েছে ‘খাটো’। আর কবিতাটির একাদশ থেকে ‘চতুর্দশ লাইনই উধাও’।
এনসিটিবির সবচেয়ে বড় কাজ হলো বই ছেপে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া। যেখানে এনসিটিবির মূল কাজই হলো ঠিকমতো বই ছাপিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া, যেজন্য আলাদা লোকবল রয়েছে, সেখানে কেন এই ভুল? অথচ একটু সতর্ক হলেই পাঠ্যবইয়ের এসব ভুল এড়ানো সম্ভব। ডাম্পিং পোস্টিং বিষয়ে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ঢাকায় থাকার জন্য শিক্ষা ক্যাডারের অনেককেই এনসিটিবিতে পোস্টিং দেয়া হয়। শিক্ষাবিদদের মতে, এখানে মেধাবীদেরই থাকার কথা, অথচ পছন্দের লোকদের ঢাকায় থাকার সুবিধা দিতে অযোগ্যদের বসানো হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে। তাছাড়া এনসিটিবির কর্মকর্তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই নানা অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ ছিল প্রাথমিক পর্যায়ে গত বছরের পাঠ্যবইয়ের মান নিয়েও। প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে ছাপা বর্ণগুলো ছোট ও হিজিবিজি। লেখা এবং ছবিও অস্পষ্ট। এগুলো পড়তে শিশুদের কষ্ট হয়। বইয়ের ভেতরে গল্প ও লেখার সঙ্গে মিল নেই ছবির। কোথাও একই ছবি দুবার ছাপা হয়েছে। পৃষ্ঠাসজ্জাও ঠিক নেই। কিছু বইয়ে রয়েছে গল্প ও ছবিবিহীন কেবল সাদা পাতা। আবার কোনো কোনো বইয়ের ভেতরের কিছু পাতাও নেই।
বই জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন করে। বিদ্যাশিক্ষা আমাদের জ্ঞানের ভাণ্ডারকে প্রসারিত করে। কিন্তু সে বিদ্যা যদি সঠিকভাবে পথপ্রদর্শক না হয়। তাহলে বিদ্যাশিক্ষার মূল্য নেই। ভালো বই ও মানসম্মত বই আমাদের আলোয় আলোকিত করে। মানসম্মত বই প্রকাশের কোনো বিকল্প নেই। সুস্থ জাতি গঠনে প্রয়োজন চিন্তা-চেতনার বৈপ্লবিক পরিবর্তন। নতুন চিন্তা-চেতনা ও মূল্যবোধের মাধ্যমে নতুন মানুষ সৃষ্টি করা সম্ভব। মানবতার দক্ষ কারিগর দেশের সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও সংস্কৃতিসেবী। তাই একটি ভালো বই পারে তাদের তৈরি করতে। এজন্য এর গুরুত্ব অনুধাবন করে মানসম্পন্ন বই প্রকাশ করা একান্ত জরুরি। বলা হয়ে থাকে, শিক্ষাই আলো বা জ্ঞানই আলো। জগতে যত আলো পাওয়া যায়, যত নীতি-আদর্শ, যত গতি-প্রগতি সবই বইয়ের মধ্যে নিহিত। প্রকৃত শিক্ষার অভাবে ধর্মের মর্মকথাও প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়, অপব্যাখ্যা মানুষকে বিপথগামী করে। আগে দর্শনধারী, তারপর গুণবিচারী- কথাটি সর্বৈব সত্য। একজন শিক্ষিত মানুষের সর্বোত্তম বন্ধু হচ্ছে একটি ভালো মানের বই। বই হচ্ছে আগামী প্রজন্ম তৈরির মূল হাতিয়ার। ভবিষ্যতের নেতৃত্ব তৈরি হবে আজকের প্রকাশিত বই পড়েই। বইটির ছাপার অক্ষরগুলো এবং ছাপানো অক্ষরের পাতাগুলো অবশ্যই ঝকঝকে-তকতকে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হতে হবে। কেননা এগুলো যদি ভালো ও উন্নতমানের কাগজে ও ছাপার অক্ষরে না হয়, তাহলে সেই বইটি ছাত্রছাত্রীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারবে না।
সর্ষের ভেতরে শত ভূত রেখেই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়ার কথা বারবারই উচ্চারিত হয়। আমাদের দেশীয় প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করলে শিশুদের রঙিন আর মানসম্মত বই খুবই প্রয়োজনীয়। আমাদের বেশিরভাগ অভিভাবক শিশুদের শিক্ষা সম্পর্কে উদাসীন না হয় অসচেতন। উচ্চবিত্তের একটি অংশ, যারা রাতদিন ব্যবসা-বাণিজ্য বা পেশাগত অন্য ব্যস্ততায় মগ্ন। নিজ সন্তানদের ঠিকমতো সকাল-সন্ধ্যা সময় দেয়াই তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। আর পড়ার খবর নেয়ার সুযোগ কই তাদের। তাদের বাচ্চারা স্কুলের শিক্ষকের কাছে পড়ার পাশাপাশি শিক্ষার মূল পাঠটা শিখে নেয় গৃহ শিক্ষকের কাছ থেকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মা-বাবা কখনো-সখনো একটু চেষ্টা করেন নিজেদের ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে সন্তানদের পড়াশোনায় সময় দেয়ার। আর নিম্নবিত্ত বাবা-মায়ের বেশিরভাগই ছেলেমেয়েদের পড়ার খোঁজখবরই নিতে পারেন না রুটি-রোজগারের জোগান দিতে গিয়ে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে শিশুদের মনোযোগী আর শিক্ষা অর্জনে আগ্রহী করে তুলতে পারে আকর্ষক বই। তবে আমাদের বইয়ের বাস্তবতা যদি এমন হয়, তবে ভবিষ্যতে ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি হবে।
শিশুরা এখন থেকেই যদি ভুল শেখে তাহলে আজীবন তা তাদের মধ্যে থেকে যাবে। পাঠ্যপুস্তকে বিদ্যমান ভুলের দায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। পুস্তক প্রণয়ন, মুদ্রণের ও বিতরণের সব দায়িত্ব তারাই পালন করে থাকে। এনসিটিবির নিয়ন্ত্রণ ভারও উপরি-কথিত মন্ত্রণালয়ের, এমতাবস্থায় অন্য কেউ পাঠ্যপুস্তকে দৃষ্ট ভুলের দায় নিতে পারে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বছরের গোড়াতেই দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, জাতীয় নীতিনির্ধারক, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে একটি সভায় মিলিত হতে পারেন। সেখানেই নির্ধারিত হবে জাতির ভবিষ্যৎ- নাগরিকদের কোন কোন বিষয়ে, কী কী শিক্ষাদান আবশ্যক। সে বিষয়গুলোই পাঠ্যবইয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে। পাণ্ডুলিপি নির্ভুল না হলে বই নির্ভুল হওয়া সম্ভব নয়, সে কারণেই ছাপতে দেয়ার আগেই বিশেষজ্ঞ কর্তৃক পাণ্ডুলিপি মূল্যায়ন করানো আব্যশক। বানানরীতির ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত বানানরীতি অনুসরণ করাই কর্তব্য। এনসিটিবির কর্মকর্তারা নানা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রকাশক সমিতির সঙ্গে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়ে পাঠ্যপুস্তকের বিভ্রান্তি, দুর্বল ছাপা এবং নিম্নমানের কাগজ ব্যবহার করতে সাহায্য করে। সুতরাং সর্ষের মধ্যে নিহিত এসব ভূতের শাস্তির ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। জাতির ভবিষ্যৎ নাগরিকদের গড়ে তোলার প্রয়োজনে অবশ্য সরকারকে নির্মম ও নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে যে কোনো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অতএব, দায়িত্ববান হোন, দায়িত্ব নিন, চিহ্নিত সমস্যার সমাধান করুন।
ড. শরীফ এনামুল কবির : সদস্য, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন, সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম