মাস্টারি বিডি । জাকারিয়া তুষার
প্রতিবেদন । ১২ মে ২০১৯ । ২৯ বৈশাখ ১৪২৬
একসময় খীরু ছিল ভালুকা অঞ্চলের প্রধান নদী। কিন্তু কল-কারখানার দূষিত বর্জ্যে খিরু তার সেই নির্মলতা হারাচ্ছে। ভালুকার বিভিন্ন স্থানে গড়েওঠা অসংখ্য কল-কারখানার দূষিত গরম কালো বর্জ্য পানি দিন-রাত খীরুর বুক বেয়ে চলে। এক সময় এ নদীর মিঠা পানিতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। এখন তা আর খুঁজে পাওয়া যায় না।

ময়মনসিংহের ভালুকার ওপর দিয়ে বয়ে চলা একসময়ের প্রমত্তা খীরু নদী এখন পরিণত হয়েছে সরু খালে। স্থানীয়ভাবে ‘বনসুন্দরী’ নামে পরিচিত এই নদী। নদীগর্ভে চলছে ফসলের চাষাবাদ।
ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার কাউরাইদ ত্রিমোহনী শীতলক্ষা পর্যন্ত প্রায় ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদী। ভালুকার বনখীরু নামে পরিচিত এ নদীপথে এক সময় মুক্তাগাছার জমিদাররা ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে বজরাবহর নিয়ে ভালুকার সিলমা কাচারিতে আসা-যাওয়া করতেন।

১৯৮০’র দশক পর্যন্ত সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ও থানার ঘাট মানেই ছিল লঞ্চের ভেঁপু আর যাত্রীদের তাড়াহুড়ো। কাঠের এক পেয়ে লম্বা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে আবার সিঁড়ি বেয়ে নিচে লঞ্চের ডেকে কাঠের সিটে বসে ইঞ্জিনের ঠক ঠক শব্দে ঢেউ তুলে এগিয়ে যাওয়া। রেলগাড়ির সঙ্গে সময় মিলিয়ে ইত্তেফাক আর লেমুয়া নামে দুটি লঞ্চ ভালুকা থেকে কাউরাদ রেলস্টেশন পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করতো প্রতিদিন দুইবার।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম