মাস্টারি বিডি । শান্তা ইসলাম
ফিচার । ০৫ মার্চ ২০১৯ । ২১ ফাল্গুন ১৪২৫
নাগলিঙ্গম দুর্লভ এক গাছ। এর পরাগচক্র দেখতে সাপের মতো বলেই এর এমন নামকরণ। অন্যান্য গাছের মত এই গাছের ফুল গাছের ডালে নয় ফোটে গাছের গোড়ায়। ভেষজগুণ সম্পন্ন এই গাছের ফুল ব্যবহার করে অনেক দেশেই তৈরি হয় সুগন্ধি।

নান্দনিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি নাগলিঙ্গম ফুলের মিষ্টি গন্ধে রয়েছে মাদকতা।
এই গাছের ইংরেজি নাম ‘cannonball tree’ এবং বৈজ্ঞানিক নাম Couroupita guianensis, যা Lecythidaceae পরিবারভুক্ত। এর আদি নিবাস মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার বনাঞ্চল। তবে পৃথিবীর অনেক জায়গায় এটি চাষ করা হয়।

উজ্জ্বল গোলাপি রঙের ফুল নাগলিঙ্গমের। পাপড়ি ছয়টি। দেখতে চমৎকার এই গাছ দেখলে মনে হবে কেউ বুঝি এই গাছের গুড়ি ছিদ্র করে ফুল গুলিকে গেঁথে দিয়েছে।
এটি একাধারে সৌন্দর্যবর্ধক ও ভেষজগুণ সম্পন্ন।

নাগলিঙ্গমের ফুলের সৌরভ মন মাতিয়ে তুললেও বাংলাদেশে খুবই কম সংখ্যক গাছ রয়েছে। বলধা গার্ডেন, রমনা পার্ক, টংগী, বরিশালের বিএম কলেজ, ময়মনসিংহের মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ, গফরগাঁও সরকারি কলেজ, গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সারাদেশে অনধিক ৫০টি গাছ রয়েছে।

নাগলিঙ্গম ৩৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। গুচ্ছ পাতাগুলো খুব লম্বা, সাধারণভাবে ৮-৩১ সেন্টিমিটার, কিন্তু ৫৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বায় পৌঁছতে পারে।

উল্লেখ্য, নাগেশ্বর, নাগকেশর ও নাগলিঙ্গম তিনটি ভিন্ন প্রজাতি। এই গাছে ফুল ধরার পর বেলের মতো গোল গোল ফল ধরে। এগুলো হাতির খুবই প্রিয় খাবার। এজন্য এর অন্য নাম হাতির জোলাপ গাছ।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম