মাস্টারি বিডি ডটকম ।
চাঁদপুর । ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ । ১২ ফাল্গুন ১৪২৪
চাঁদপুর জেলায় ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ৪৬ হাজার ৬৯ মে.টন ভূট্টা উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চাঁদপুরে সাধাণত আলু ফসল ঘরে তোলার সাথে সাথেই ওই জমিতে চাষিরা ভুট্টা চাষ করে থাকে ।

জেলার মতলবের চরইলিয়ট চর কাসিম, ষষ্টখণ্ড বোরোচর, চাঁদপুর সদর সফরমালী, কুমারডুগি, রাজরাজেস্বর, জাহাজমারা, লগ্মীমারা, বাঁশগাড়ি, চিড়ারচর, ফতেজংপুর, হাইমচরের ঈশানবালা, চরগাজীপুর, মনিপুর, মধ্যচর, মাঝিরবাজার, সাহেববাজার ও বাবুরচর ইত্যাদি এলাকায় ভুট্টা চাষ বেশি হচ্ছে।
চাঁদপুর সদরে চাষাবাদ হয়েছে ১২০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫০ মে.টন।

মতলব উত্তরে চাষাবাদ হয়েছে ১ হাজার ৭২০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ হাজার ৫ শ’মে.টন। মতলব দক্ষিণে চাষাবাদ হয়েছে ২ হাজার ৩০০হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ১২৬ মে.টন। হাজীগঞ্জে চাষাবাদ হয়েছে ৫৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮১ মে.টন।
শাহরাস্তিতে ভুট্টা চাষাবাদ হয়েছে ৫ হেক্টর ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৪ মে. টন। কচুয়ায় চাষাবাদ হয়েছে ৭৫৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬০৬ মে.টন। ফরিদগঞ্জে চাষাবাদ হয়েছে ৩০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬২ মে.টন।

তবে হাইমচরে এবার ভূট্টা চাষাবাদ করা হয়নি বলে জানা যায়।
ভুট্টা একটি শর্করা জাতীয় খাবার। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের শর্করা জাতীয় খাবার বেশ প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে ভুট্টার গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু মানুষেরই নয়; হাঁস, মুরগি ও অন্যান্য গবাদি পশুর খাবার এ ভুট্টা। বিশেষ করে মৎস্য চাষিরাও এটি মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

জানা যায়, এ বছর আবহাওয়ার অনুকূল পরিবেশ, কৃষি বিভাগের উন্নত উৎপাদনের প্রযুক্তি প্রদান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নত, কৃষিউপকরণ পেতে সহজলভ্যতা, বীজ, সার ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষিবিদদের পরামর্শ, ব্যাংক থেকে কৃষিঋণ প্রদান ইত্যাদি কারণে চাঁদপুরের চাষিরা ব্যাপক হারে ভুট্টা চাষ করছে। এতে করে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
মাস্টারি সংবাদ মাস্টারি সংবাদে আপনাকে স্বাগতম