Home / জাতীয় / বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম এবং দৈনিক ইত্তেফাক
1483018077

বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম এবং দৈনিক ইত্তেফাক

মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ । ১৬ পৌষ ১৪২৩
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, “বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম থেকে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’কে আলাদা করা যাবে না। পত্রিকাটি আমাদের স্বাধীনতার সঙ্গী হয়ে আছে।”
তিনি বলেন, ‘যে কোন সংগ্রামের জন্য অসি ও মসি দু-ই দরকার হয়। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অসি ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর মসি ছিলেন ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া।’
দৈনিক ইত্তেফাকের ৬৪ বছরের পথ চলা উপলক্ষে ‘স্বাধীনতা ও ইত্তেফাক’ শিরোনামে ৩ দিনব্যাপী ‘শব্দ কল্প চিত্র’ শীর্ষক স্থাপনাশিল্প (ইন্সটলেশন) প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী মিলনায়তনে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করে ইত্তেফাক পাবলিকেশন্স। অনুষ্ঠানে ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা মানিক মিয়ার ছেলে এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, শিল্পী হাশেম খান ও ইত্তেফাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আশিস সৈকত, বার্তা সম্পাদক মলয় পাঁড়ে, সিটি এডিটর আবুল খায়ের ও আইন-বিচার ও নির্বাচন কমিশন বিষয়ক সম্পাদক সালেহউদ্দিন।
এসময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি স্বশাসনের আন্দোলন, বাংলা ভাষা ও বাঙালী সংস্কৃতি চর্চায় ইত্তেফাক ভূমিকা রেখে চলেছে।’
সাংবাদিকরা যে মতাদর্শেরই হোক না কেন, তাদের নীতি ও নৈতিকতা থাকতে হয় উল্লেখ করে ইনু বলেন, ‘দেশের স্বাধিকার আন্দোলনে মানিক মিয়া তার নীতি ও নৈতিকতা নিয়ে দেশ ও জাতির পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। এ জন্য পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী প্রথমেই তার পত্রিকা ইত্তেফাক অফিস পুড়িয়ে দেয়।’
‘সেদিন পাকিস্তানিরা শুধু ইত্তেফাককে নয়, সেই সাথে বাংলাদেশকেও পুড়িয়ে দিয়েছিল’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তবে সেদিন তারা মানিক মিয়ার তেজদীপ্ত সাহসকে, তার নীতিকে, তার নৈতিকতাকে পুড়িয়ে দিতে পারেনি।’ ইত্তেফাক তার নীতি- নৈতিকতা বজায় রেখে আজও এগিয়ে চলেছে বলে তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
প্রদর্শনীতে ইত্তেফাকের জন্মলগ্ন থেকে ৬৪ বছরের পথ চলাকে ১৩টি স্থাপনাশিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে মানিক মিয়ার ব্যবহৃত সম্পাদকীয় টেবিল, চেয়ার, কলম, টাইপরাইটার মেশিন, চায়ের কাপ, চশমার কাভার, স্যু, টুপি, কোর্ট, টেলিফোন, বই, ডায়েরি ইত্যাদি রয়েছে। এছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর পত্রিকা কাটিংও শোভা পাচ্ছে।
ইত্তেফাকের এ প্রদর্শনী চলবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

22 7 2026 1

সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের, বাংলাদেশের অবস্থান কত?

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ | মাসস বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় গত বছরের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.