Home / জাতীয় / তিস্তার মরণ দশা…
tista+mbd

তিস্তার মরণ দশা…

মাস্টারি বিডি ডটকম
ঢাকা । ৩০ জানুয়ারি ২০১৭ । ১৭ মাঘ ১৪২৩

গত মৌসুমের চেয়ে এবার আরো ২ হাজার হেক্টর কমিয়ে এনে মাত্র আট হাজার হেক্টর জমিতে তিস্তার সেচ সুবিধা দেয়া হচ্ছে নীলফামারী জেলায়। পানি না থাকায় তিস্তার সেচ সুবিধার আওতায় বাদ রাখা হয়েছে রংপুর ও দিনাজপুর জেলার কমান্ড এলাকা। চলতি মৌসুমে সেচের আওতায় থাকা জমির মধ্যে রয়েছে নীলফামারী সদর উপজেলায় আট’শ হেক্টর, ডিমলা উপজেলায় পাঁচ হাজার হেক্টর, জলঢাকা উপজেলায় দুই হাজার হেক্টর এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলায় মাত্র ২’শ হেক্টর। দিন দিন তিস্তায় পানি কমে যাওয়ায় হতাশ সুবিধাভোগী কৃষকরা। তারা বলছেন এভাবে চলতে থাকলে আমাদেরও কপাল পুড়বে। ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানি ইউনিয়নের কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, তিস্তা সেচ প্রকল্প আগের মতো পানি দিতে পারে না। এরমধ্যে যতটুকু পাই সেটুকুর পাশাপাশি সেচযন্ত্র দিয়ে চাহিদা মেটানো হয়। আবাদ করে লাভের পরিবর্তে লোকসান গুনতে হচ্ছে। খরচ বাড়ছে। চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ এখনো পুরোদমে শুরু হয়নি। সময়মত সেচ পাওয়া নিয়ে সন্দিহান তারা। বাধ্য হয়ে বিকল্প ব্যবস্থার উপর ভরসা করতে হচ্ছে তাদের। তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাফিউল বারী জানান, উজানের প্রবাহ দিন দিন কমে আসায় তিস্তা নদীর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে তিস্তা ব্যারাজের কমান্ড এলাকায় সম্পূরক সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগেও নদীর পানি প্রবাহ প্রায় আড়াই হাজার কিউসেক থাকলেও এখন নেমে এসেছে মাত্র ৮ শত কিউসেকে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পানি সংকটের কারণে চলতি মৌসুমে দিনাজপুর ও রংপুর জেলার কমান্ড এলাকায় সেচ সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। পানি বাড়লে পরিসর বাড়ানো হতে পারে। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত পানি না থাকায় তিস্তা ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয়েছে।-সংগৃহীত

About Mastary Sangbad

Mastary Admin

Check Also

14 4 26 01

মঙ্গলের বারতায় শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা

ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল ২০২৬ মাসস মঙ্গলের বারতায় উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখী …

Leave a Reply

Your email address will not be published.